এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর, ২০২৩, ০১:১১ পিএম
পুরুষ ক্রিকেটাররা যেখানে ব্যর্থ সেখানে নারী দল সাফল্য এনে দিয়েও বেতন পাচ্ছেন না
পুরুষ জাতীয় দলের ক্রিকেটে হাহাকার চলছে। ব্যর্থতা আর ব্যর্থতা। কোনো সাফল্য নেই। বিচ্ছিন্নভাবে দু’একটি ম্যাচ জিতলেও সেটার ধারাবাহিকতা নেই। সাকিব-লিটনদের নিয়ে চাপে যেনো বিসিবি।
এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটে আশার আলো হতে পারে নারী দলের পারফরম্যান্স। ছেলেদের ক্রিকেটে ব্যর্থতার ভীড়ে ধারাবাহিক সাফল্য উপহার দিচ্ছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ ড্র। পাকিস্তানকে তো হারিয়েছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই সিরিজেই। অথচ তারাই নাকি গত ৫ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না।
চলতি বছর জুন মাসেই তারা পেয়েছিলেন খুশির সংবাদ। উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছিল বেতন ও ম্যাচ ফি। কিন্তু এরপরই সবকিছু এলোমেলো। আগে যে বেতন পেতেন, সেটাও পাচ্ছেন না জ্যোতি, নাহিদারা।
বিসিবির নারী বিভাগ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে আছে টাইগ্রেসদের বেতন। বিভাগের এক কর্মকর্তার দাবি তারা চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের একটা তালিকা বোর্ডে জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখনো তা অনুমোদন দেয়নি দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিষয়টির সঙ্গে জড়িত এমন একজন বোর্ড কর্তা অবশ্য দায় স্বীকার করেছেন। কিন্তু তাতে লাভ কী? যা ক্ষতি হওয়ার তা ক্রিকেটারদেরই হচ্ছে। বলে রাখা ভালো, চার ক্যাটাগরিতে নারী ক্রিকেটারদের বেতন বেড়েছিল ২০ শতাংশেরও বেশি। মূলত ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এরপর রাউন্ড ফিগারে আনার জন্য আরও কিছু টাকা বাড়িয়ে দেয় বোর্ড।
বেতন বাড়ানোর পর ‘এ’ ক্যাটাগরি ৮০ হাজার থেকে এখন ১ লাখ। ‘বি’ ক্যাটাগরি ৬০ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫ হাজার। ‘সি’ ক্যাটাগরি ৩৫ হাজার থেকে বেড়ে ৫০ হাজার। ‘ডি’ ক্যাটাগরি ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা হয়েছে।
বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নারী ক্রিকেটার আছেন ২৫ জন। বেতনের পাশাপাশি নারীদের ম্যাচ ফি-ও বেড়েছে। ওয়ানডেতে ম্যাচ ফি করা হয়েছে ১ লাখ টাকা, যেটি আগে ছিল তিনশ ডলার। টি-টোয়েন্টিতে হয়েছে ৫০ হাজার টাকা, আগে ছিল দেড়শ ডলার।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি