ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

মুম্বাইয়ের পিচ নিয়ে যা জানালেন উইলিয়ামসন 


এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক    | প্রকাশিত:  ১৬ নভেম্বর, ২০২৩, ০৫:১১ পিএম

মুম্বাইয়ের পিচ নিয়ে যা জানালেন উইলিয়ামসন 

মুম্বাইয়ের পিচ নিয়ে যা জানালেন উইলিয়ামসন 

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের ভারত ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে হুট করেই বিতর্ক শুরু হয়। ডেইলি মেইল অনলাইন খবর প্রকাশ করেছে, ভারতকে সুবিধা দিতে শেষ মুহূর্তে পাল্টে ফেলা হয়েছে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের পিচ। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। এক পর্যায়ে এগিয়ে এসে আইসিসি জানিয়ে দেয়, যা হয়েছে সবটাই নিয়মের মধ্যে। 

পিচ পরিবর্তনের আইন, রীতি সম্পর্কে জানেন বলে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। এমনটা হতে পারে সেই ধারণা রাখছেন তিনি, না (কোনো ভুল ছিল না)। আমি বুঝাতে চাচ্ছি, হ্যাঁ ব্যবহৃত উইকেটে খেলা হয়েছে। কিন্তু খুব দারুণ ছিল। আমরা সকলেই দেখতে পেয়েছি, তারা প্রথম ইনিংসে প্রচুর রান করতে পেরেছে। এবং কন্ডিশন কৃত্রিম আলোয় কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এটা পুরো প্রতিযোগিতায় আমরা দেখেছি।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বুধবার ৭ নম্বর পিচে হওয়ার কথা ছিল বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনাল। শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে ম্যাচটি হয় ৬ নম্বর পিচে। ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, ওয়াংখেড়ের পাঁচ ম্যাচের জন্য পিচের ধারা ছিল ৬-৮-৬-৮-৭। সেমির আগ পর্যন্ত ৬-৮-৬-৮ ব্যবহার করা হয়। শেষ ম্যাচে ৭ নম্বর পিচ ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ম্যাচের দুদিন আগে ভারতের চাওয়ায় সিদ্ধান্ত বদলে ৬ নম্বর পিচে খেলা হয়। যেখানে আগে খেলেছিল ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কা। দুটি ম্যাচেই রান হয়েছে সাড়ে তিনশর বেশি।

এবারই যে এমন হলো তেমনটাও নয়। গত বছর অস্ট্রেলিয়াতে দুটি সেমিফাইনালই হয়েছিল ব্যবহৃত পিচে। জানিয়ে রাখা ভালো, সতেজ উইকেটেই খেলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই। যে ভেন্যুতে খেলা হবে, তারা ম্যাচের সম্ভাব্য সেরা পিচ ও আউটফিল্ড দেখে খেলার ব্যবস্থা করে। ফলে ভারত-নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালের ক্ষেত্রে মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) দায়িত্বই চূড়ান্ত। গাইডলাইন অনুযায়ী সব হয়েছে বলেই পিচ নিয়ে বেশি কথা বলতে রাজি হননি উইলিয়ামসন। 

তিসি বলেন, এটা হতাশার যে আপনি এই পর্যায়ে এসে সামনে আর যেতে পারছেন না। একই সঙ্গে আপনি দেখতে পারছেন, সাত সপ্তাহের কঠোর পরিশ্রমের পর ছোট কয়েকটি মুহূর্তের কারণে আপনি পিছিয়ে পড়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই, আমরা সেরা দলটার কাছেই হেরেছি।