ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

হ্যারিকে দেড় লাখ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে মিরর গ্রুপ নিউজপেপারসকে নির্দেশ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:১২ পিএম

হ্যারিকে দেড় লাখ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে মিরর গ্রুপ নিউজপেপারসকে নির্দেশ

হ্যারিকে দেড় লাখ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে মিরর গ্রুপ নিউজপেপারসকে নির্দেশ

শুক্রবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন হাইকোর্ট এই রায় দিয়েছেন। হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ায় প্রিন্স হ্যারিকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ১৪০,৬০০ পাউন্ড দেওয়ার জন্য মিরর গ্রুপ নিউজপেপারস-কে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। রায়ে বলা হয়, ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স হ্যারি ফোন হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন। এই হ্যাকিং ও অন্যান্য বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন ‘মিরর গ্রুপ নিউজপেপারস’ (এমজিএন) এর সাংবাদিকরা। সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা এসব অপকর্মের কথা জানতেন।  

এমজিএন এক বিবৃতিতে ‘ঐতিহাসিক এই ভুল কাজের’ জন্য ক্ষমা চেয়েছে এবং এর পূর্ণ দায় মাথায় নিয়ে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রিন্স হ্যারি তার আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, আজ সত্যের জয়ের পাশাপাশি জবাবদিহিতার জন্যও এক বিশাল দিন।

আদালতের বিচারপতি ফ্যানকোর্ট বলেছেন, প্রিন্স হ্যারির ব্যক্তিগত ফোনকে হ্যাকিংয়ের নিশানা করা হয় ২০০৩ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে।

হ্যারি এই হ্যাকিং নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন। এ নিয়ে মামলা গড়ায় যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত। ফোন হ্যাকিংয়ের শুনানির জন্য এবছর জুনে হাইকোর্টে গিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন হ্যারি।

১৩০ বছরের মধ্যে হ্যারিই প্রথম ব্রিটিশ রাজপরিবারের একজন সদস্য হিসাবে এমজিএন এর বিরুদ্ধে আদালতে প্রমাণ তুলে ধরেছিলেন। এই মিরর গ্রুপ নিউজপেপারস (এমজিএন)- দ্য ডেইলি মিরর, সানডে মিরর এবং সানডে পিপল এর প্রকাশক।

হ্যারির অভিযোগ ছিল, এই নিউজপেপার গ্রুপ ১৫ বছর ধরে তাকে নিশানা করেছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এই ১৫ বছরে বেআইনিভাবে তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে অভিযোগে প্রায় ১৪০ টি নিবন্ধ নমুনা হিসাবে তুলে ধরেছিলেন হ্যারি।

মামলার বিচার চলাকালে এর মধ্য থেকে ৩৩ টি নিবন্ধ খতিয়ে দেখা হয়।

 শুক্রবার বিচারের রায়ে বিচারপতি ফ্যানকোর্ট বলেছেন, ৩৩ টির মধ্যে ১৫ টি নিবন্ধ হ্যারির মোবাইল ফোন কিংবা তার সহযোগীদের ফোন হ্যাক করে কিংবা অন্যান্য বেআইনি তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন তিনি।

তাছাড়া, ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মিরর গ্রুপ নিউজপেপারস আরও ‘ব্যাপকভাবে’ ফোন হ্যাক করেছে বলেও রায়ে উল্লেখ করেন ফ্যানকোর্ট।

তিনি বলেন, ব্রিটিশ পত্রিকাগুলোর এই অপচর্চা নিয়ে সরকারি তদন্ত চালাকালেও এমন কর্মকাণ্ড থেমে থাকেনি। ঊর্ধতন সম্পাদক এবং নির্বাহীরা কি চলছে তা জানতেন।

ডেইলি মিররের সম্পাদক থাকার সময় পিয়ার্স মর্গান ফোন হ্যাকিংয়ের ব্যাপারে জানতেন এবং এতে জড়িত ছিলেন বলেও আলাদা এক রায়ে জানিয়েছেন ফ্যানকোর্ট। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি