এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৬:১২ পিএম
মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করল দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার বি এস এফ
পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বিজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের সৈন্যরা রাজারহাটের ফ্রন্টিয়ার হেডকোয়ার্টারে বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। এই তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে মোট ১৪৫ জন অফিসার, অধস্তন অফিসার এবং জওয়ানরা স্মারক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় শ্রী আয়ুষ মণি তিওয়ারি, আই.পি.এস, ইন্সপেক্টর জেনারেল, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের হৃদয়গ্রাহী বক্তৃতার মাধ্যমে। আইজি, সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বিএসএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন, মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সহায়তা করার ক্ষেত্রে বাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পশ্চিম ও পূর্ব উভয় ফ্রন্টে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বিএসএফ-এর প্রশংসনীয় প্রচেষ্টাকে শ্রদ্ধার সাথে ¯মরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিএসএফ-এর ভূমিকা চিত্রিত একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যা জাতীয় নিরাপত্তায় বিএসএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং সীমান্ত জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা হয় অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ছিল প্রাণবন্ত যা চেতনার ছোঁয়া যোগ করে।
সমাপনী বক্তব্যে, ইন্সপেক্টর জেনারেল আয়ুষ মণি তিওয়ারি, আইপিএস সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিএসএফের সমসাময়িক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি চোরাচালানকারী, দুর্বৃত্ত এবং অবৈধ অভিবাসীদের দ্বারা সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার কৌশলের রূপরেখা দেন, একটি ব্যাপক পদ্ধতির জন্য প্রযুক্তি এবং জনশক্তির একীকরণের ওপর জোর দেন।
বিজয় দিবস উদযাপন শুধুমাত্র ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনই নয় বরং বিএসএফ কর্মীদের অনুপ্রাণিত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি