ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

মিয়ানমারে নারীরাও লড়ছেন জান্তার বিরুদ্ধে


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:১২ পিএম

মিয়ানমারে নারীরাও লড়ছেন জান্তার বিরুদ্ধে

মিয়ানমারে নারীরাও লড়ছেন জান্তার বিরুদ্ধে

দেশটির গণতন্ত্রপন্থী বিদ্রোহীদের একটি দলে যোগ দিয়েছে প্রায় ১৮ বছরের এক কিশোরীও। তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জান্তাদের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর ইউনিটে। জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত সশস্ত্র শক্তি ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর অধীনে পুরুষদের পাশাপাশি শত শত নারী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন। 

বর্তমানে ইওএ ও বার্মা কমিউনিস্ট পার্টির (বিসিপি) পুনর্গঠিত সশস্ত্র সংগঠন এমএনডিএএ ছাড়াও অভ্যুত্থানের কারণে ক্ষমতা হারানো এমপি ও রাজনীতিকদের গঠন করা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের (এনইউজি) মদদপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেসের (পিডিএফ) সম্মিলিত শক্তি জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় রয়েছে।

মো মো প্রথম দিকে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ আয়োজনকারী একটি গ্রুপের সঙ্গে কাজ করত। কিন্তু জান্তাদের কয়েক মাসের ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষাপটে সে যোদ্ধা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যোগ দেয় মান্দালয় পিডিএফে। মো মো বলে, ‘আমার জন্ম মান্দালয়ে। আমি মান্দালয়ের মেয়ে। তাই আমি মান্দালয় পিডিএফে যোগ দিয়েছি। শান রাজ্যের পাশেই ঘনবসতিপূর্ণ মান্দালয় অঞ্চল।

শান রাজ্যে ড্রোন হামলা চালানোর পর মো মো বলে, আমি সামরিক বাহিনীর অন্যায় মেনে নিতে পারিনি। তারা নিরীহ সাধারণ মানুষদের হত্যা করেছে। এই ক্ষোভ থেকেই আমি মূলত এখানে যোগ দিয়েছি।

মো মোর পরণে ছিল মান্দালয় পিডিএফের ছদ্মবেশী পোশাক। মান্দালয় পিডিএফে তার অনেক বন্ধু আছে। তাদের ডাকেই তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।

মো মো তার ছদ্মনাম। নিরাপত্তার জন্য এই ছদ্মনাম নিয়েছে। মান্দালয় পিডিএফে প্রায় ১০০ নারী আছেন। তারা শান রাজ্য ও মান্দালয়ে জান্তাবিরোধী লড়াইয়ে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। এই ইউনিটে যত সদস্য আছেন, তাদের এক-তৃতীয়াংশই নারী। মান্দালয় পিডিএফের নারী সদস্যরা যে শুধু ড্রোন হামলা চালান তা নয়, তারা টহলেও কাজ করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীর কাজও করেন। কমব্যাট ট্রাউজার ও টি-শার্ট পরে এই নারীরা সকালে জগিং ও ডার্ট ট্র্যাক করেন।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি