এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৬:১২ পিএম
ভারতীয় উপকূলে জাহাজে হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ইরান জড়িত
ভারতের গুজরাট উপকূলে আরব সাগরে একটি ট্যাংকার জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, জাপানি মালিকানাধীন এই রাসায়নিক ট্যাংকারে যে ড্রোন হামলা হয়েছে, তা ছোঁড়া হয়েছিল ইরান থেকে।এর আগে ভারত উপকূলে থাকা জাহাজে ইরান থেকে হামলা হয়েছে বলে দাবি করা হয় ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে।
শনিবার ভারতের উপকূলে রাসায়নিক ট্যাংকারে আঘাত হানা ড্রোনটি ‘ইরান থেকে উড়ে এসেছিল' বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন দাবি করেছে। এই ঘটনাকে লোহিত সাগরের এপারেও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি ছড়িয়ে পড়ার লক্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০ টায় ভারতের ভেরাভাল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২০ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলায় লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এই ট্যাংকারে আগুন ধরে গেলেও পরে তা নিভিয়ে ফেলা হয়।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুটে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে ভারতের গুজরাট উপকূলে প্রথম আক্রমণের ঘটনা ঘটে।
পেন্টাগন এক বিবৃতিতে বলেছে, ভারতের উপকূলে ড্রোনের আঘাতপ্রাপ্ত জাহাজটির সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এটি এখন ভারতের একটি গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত অক্টোবরে হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম পেন্টাগন খোলাখুলিভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি জাহাজকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ করল।
ট্যাংকারটিতে হামলার দায় কোনও গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোতে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাথে এই হামলার কোন সম্পর্ক আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমভি কেম প্লুটো নামের জাহাজটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ছিল এবং ডাচ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। যদিও জাহাজটি মূলত জাপানি কোম্পানির মালিকানাধীন।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি