এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:১২ পিএম
ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করবই: অমিত শাহ
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন তাকে কেউ আটকাতে পারবে না, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা ‘সিএএ’ কার্যকর তিনি করবেনই।
মঙ্গলবার কোলকাতায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টার্গেট করে তিনি ওই মন্তব্য করেন। মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই বিতর্কিত ‘সিএএ’/ক্যা আইনের বিরোধিতা করে আসছেন। মমতা ক্যা-ক্যা, ছিঃ-ছিঃ বলে শ্লোগানও তুলেছিলেন একসময়ে।
অমিত শাহ এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘দিদি’ (মমতা) বেশ কয়েকবার আমাদের শরণার্থী ভাইদের ‘সিএএ’ নিয়ে বিভ্রান্ত করেছেন। আমি এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই ‘সিএএ’ হল দেশের আইন। এবং এর বাস্তবায়ন কেউ আটকাতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবেন।’ এভাবে ‘সিএএ’ বাস্তবায়নে অমিত শাহ কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বাংলায় বিজেপির সরকার আসার মানে অনুপ্রবেশ বন্ধ, গরুপাচার বন্ধ, শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান, উন্নয়ন এবং গরীব কল্যাণ বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
‘সিএএ’ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে বুধবার পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ পাল্টা জবাবে বলেছেন, আমরা ওসব হতে দেবো না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘ওই আইন পাস হয়েছে তো বহুদিন হয়ে গেল, কুমির ছানার গল্প কতদিন ধরে দেখাবে? পাস হয়েছে অনেকদিন হয়ে গেছে, কিন্তু তারপর কী হল? আইন ফ্রেম করা কোথায় গেল? আমরা এসব হতে দিচ্ছি না। অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের বদলে এসব হবে, এসব আমরা হতে দিচ্ছি না।’
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা ‘সিএএ’ আইনে মুসলিমদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বিতর্কিত ওই আইনের বিধি তৈরি না হওয়ায় তা এখনও কার্যকর হয়নি।
অন্যদিকে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা ‘সিএএ’এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ২৩২টি আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনকারীদের দাবি- তারা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিরোধী নন। কিন্তু ওই আইনে (সিএএ) ‘ধর্মের ভিত্তিতে যে বৈষম্য’ করা হয়েছে, তারা সেই বৈষম্যের বিরোধী।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি