এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:১২ পিএম
গাজায় উন্মুক্ত স্থানে বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ মানুষ, বাড়ছে রোগ-ব্যধি
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বাস্তুচ্যুত অন্তত ১৬ লাখ ফিলিস্তিনি এখন উন্মুক্ত স্থানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের অনেকে পার্কেও থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। জাতিসংঘ একথা জানিয়েছে।
টানা প্রায় তিন মাস ধরে ফিলিস্তিনের এই ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। বর্বর এই হামলার জেরে ২৩ লাখ জনসংখ্যার অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। সেখানকার অধিকাংশ মানুষই আজ বাস্তুচ্যুত।
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে গাজার দক্ষিণে অবস্থিত মিসরের সীমান্তবর্তী রাফাহতে লাথ লাখ মানুষ পালিয়ে গেছেন। রাফাহ থেকে ইউএনআরডব্লিউএর গাজার পরিচালক টম হোয়াইট বিবিসিকে বলেন, চলমান এই সংঘাতের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য এখন ‘দশ লাখেরও বেশি মানুষ’ রাফাহ শহরটিতে অবস্থান করছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আবারও গাজার বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে সংক্রামক রোগের বিস্তারের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাজাজুড়ে রোগের সংখ্যা বেড়েছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোতে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০০ জনের ডায়রিয়ায়, ৫৫ হাজার ৪০০ জনের উকুন ও স্ক্যাবিসের এবং ১২৬ জনের মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ইউএনআরডব্লিউএর জুলিয়েট তোমা বলেছেন, জাতিসংঘকে ‘সীমিত পরিমাণ সহায়তা’ আনার জন্য অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গাজার মানবিক চাহিদা ‘ব্যাপকভাবে বেড়েছে’। তিনি বলেন, ‘গাজা উপত্যকার যেসব এলাকায় আমাদের প্রবেশ করা উচিত সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে তারা বিধিনিষেধের সম্মুখীন’ হচ্ছে।
গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এতে ২১ হাজার ৬৭২ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৫৬ হাজার ১৬৫ জন।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি