ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

আদালতে ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা


এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক    | প্রকাশিত:  ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ০৬:০২ পিএম

আদালতে ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা

আদালতে ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্ররা

শনিবার নওয়াজ শরীফ ও তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজের বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্টে অভিযোগ করেছে পিটিআই। আদালতে পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অভিযোগে করেন ফর্ম-৪৫ এর ফলাফলে নওয়াজ শরীফ হেরেছেন। কিন্তু ইসিপি বা নির্বাচন কর্মকর্তারা ফর্ম-৪৫ এ পিটিআই প্রার্থী জিতলেও তার ফলাফল পাল্টে ফর্ম-৪৭ এ নওয়াজ শরীফকে বিজয়ী ঘোষণা করে।  

ফর্ম-৪৫ হলো পাকিস্তানের প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রের ফলাফল। কিন্তু সেটিকে সরিয়ে পরবর্তীতে নতুন করে ফর্ম-৪৭ অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

নওয়াজ শরীফের বিরুদ্ধে নির্বাচন করা পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসমিন রশিদের অভিযোগ অনুযায়ী, ফর্ম-৪৫ অনুযায়ী তিনিই জয়ী হয়েছেন। কিন্তু ফরম-৪৭ এ নওয়াজকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে ইয়াসমিন রশিদ এগিয়ে থাকলেও তিনি ১ লাখ ৩০ হাজার ভোট পেয়েছেন এবং নওয়াজ পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট।

অপরদিকে জাতীয় পরিষদের ১১৯তম আসনে মরিয়ম নওয়াজের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক শাহজাদ। ফারুক শাহজাদের দাবি অনুযায়ী, ফর্ম-৪৫ অনুযায়ী তিনিই জয়ী। তাছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কোরেশির মেয়েও তার পরাজয়ের বিরুদ্ধে আদালতে হাজির হয়েছেন।

লাহোর আদালতে নওয়াজ শরীফ ও তার মেয়ে ছাড়াও আতাউল্লাহ তারার এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফের ফলাফল নিয়েও পৃথক পিটিশনে অভিযোগ করা হয়।

বর্তমানে আদালতে দায়ের করা এই মামলাগুলোর নেপথ্যে অধিকাংশই পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার মধ্যে হাই-প্রোফাইল রাজনীতিবিদ যেমন পারভেজ এলাহী এবং তার স্ত্রী কায়সার, খাইবার-পাখতুনখোয়ার সাবেক অর্থমন্ত্রী তৈমুর ঘাগরা এবং সাবেক স্পিকার মাহমুদ জান, ইসলামাবাদ-ভিত্তিক আইনজীবী শুয়াইব সেইসঙ্গে উসমান দার-এর মা রেহানা দার।

অপরদিকে পিটিআই সিন্ধুর সভাপতি জানান, প্রাপ্ত ফর্ম-৪৫ এর নির্বাচন ফলাফল অনুযায়ী, তিনি প্রায় ৬৫,০০০ ভোট পেয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তবে ফর্ম-৪৭ এর ফলাফল অনুযায়ী এমকিউএম-পি-এর সাদিক ইফতিখারকে এনএ-২৩৮ থেকে ৫৪,০০০ ভোটে বিজয়ী হিসাবে দেখানো হয়েছে। 

করাচিতে, পিটিআইয়ের তিনজন প্রার্থী সিন্ধু হাইকোর্টে গিয়ে যুক্তি দেখিয়েছেন, নির্বাচনের পর্যবেক্ষক, আরও এবং অন্যরা নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় কারচুপি করেছে।

ইসলামাবাদ হাই কোর্টে ইমরান খানের আইনী দলের সদস্য মোহাম্মদ শুয়াইব শাহীন ও মোহাম্মদ আলী বুখারি পিএমএল-এন এর তারিক ফজল চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজা খুররম শেহজাদের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেন।