এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৪, ০৭:০৪ পিএম
বিদ্রোহীদের দখলে মিয়ানমার কাচিন রাজ্যের রাজধানীর কাছে জান্তা সেনা সদর দপ্তর
এখান থেকে ইরাবতি নদীর পথ নিয়ন্ত্রণ করে জান্তা সেনারা। এই পথ দিয়েই যাতায়াত করা হয় রাজধানী মিটকিনাতে। দীর্ঘ এক মাস যুদ্ধের পর এই দপ্তরটি দখল করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা।
কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি (কেআইএ) ও কাচিন পিপল’স ডিফেন্স ফোর্স ইরাবতি নদীর পশ্চিম তীরের সিনবো এলাকাটি গত ফেব্রুয়ারি মাসেই দখল করেছে। মিটকিনা টাউনশিপ এলাকাতেই সিনবোর পুলিশ স্টেশনটিও নিয়ন্ত্রণ করছে প্রতিরোধ যোদ্ধারা।
তখন থেকেই প্রতিরোধ যোদ্ধারা শহরের পশ্চিম দিকের এই সেনা দপ্তরটি দখল করার চেষ্টা করে আসছিল। সোমবার কেআইএ মুখপাত্র কর্নেল নও বু গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কেআইএ সদর দপ্তর ও কেআইএ ব্রিগেডের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। এখান থেকে মিটকিনা-ভামো নদী পথও তদারকি করা হয়।’
কাচিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, সদর দপ্তরটি রক্ষা করার জন্য জান্তা বাহিনী বিমান ও হেলিকপ্টারও ব্যবহার করেছে। সংঘর্ষে কয়েকজন জান্তা কমান্ডার নিহত হয়েছেন এবং অন্য ব্যাটেলিয়নের একজন কমান্ডার হয়েছে আহত।
নারিনজারার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিরোধ যোদ্ধা ও জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মিয়ানমার জুড়ে ২৯ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ হাই কমিশনার ফর হিউম্যানিটেরিয়ান এ্যাফেয়ার্স (ইউএনওসিএইচএ) জানিয়েছে, গত বছর প্রতিরোধ যোদ্ধা ও জান্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে রাখাইন রাজ্য ও শিন রাজ্যের পালেতওয়া রাজ্যে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৬৬ হাজার।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি