ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

চিটাগং কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল


এনবিএস ডিজিটাল ডেস্ক    | প্রকাশিত:  ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৯:০২ পিএম

চিটাগং কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল

"বিপিএলের ফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ের পর টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরচুন বরিশাল। চিটাগং কিংসের ছুড়ে দেওয়া ১৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৩ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় তামিম ইকবালের দল। এই জয় বিপিএল ইতিহাসে বরিশালকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।"  


"চিটাগং কিংস টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। খাজা নাফি ৪৪ বলে ৬৬ রান এবং পারভেজ হোসেন ইমন ৪৯ বলে ৭৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। জবাবে বরিশাল ১৯.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রানে পৌঁছে জয় নিশ্চিত করে।"  

"বরিশালের ইনিংস শুরু হয় দ্রুতগতিতে। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৭ রান তুলে দলকে শক্ত ভিত্তি দেন তামিম ইকবাল ও তাওহীদ হৃদয়। তামিম ২৯ বলে ৫৪ রানের দ্রুত ইনিংস খেলেন, যা বরিশালের জয়ের পথ প্রশস্ত করে।"  

"তামিম ইকবালের ঝড়ো ব্যাটিং বরিশালকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়। ২৪ বলে ফিফটি করা তামিম শরিফুল ইসলামের বলে আউট হলেও তার ইনিংস দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডেভিড মালান ও মুশফিকুর রহিমের ব্যর্থতা সত্ত্বেও বরিশালের মিডল অর্ডার চাপ সামলে নেয়।"  

"তামিমের আউটের পর বরিশালের ইনিংস কিছুটা ধীরগতি পায়। কিন্তু তাওহীদ হৃদয়ের ৩২ রান এবং শেষ ওভারে কাইল মায়ার্স ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঠান্ডা মাথার ব্যাটিং দলকে জয় এনে দেয়।"  

"চিটাগং কিংসের ব্যাটিং শুরু হয় দ্রুতগতিতে। খাজা নাফি ও পারভেজ হোসেন ইমনের উদ্বোধনী জুটিতে ১২১ রানের পার্টনারশিপ দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। নাফি ৪৪ বলে ৬৬ রান এবং ইমন ৪৯ বলে ৭৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তবে শেষ ওভারে দ্রুত রান না উঠায় চিটাগং ১৯৪ রানে থেমে যায়।"  

"গ্রাহাম ক্লার্কের ২৩ বলে ৪৪ রান এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারীর ২ বলে ২ রান চিটাগংকে ১৯৪ রানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। তবে শেষ ওভারে বরিশালের বোলাররা চাপ তৈরি করে রান কম রাখেন।"  

"বরিশালের বোলাররা চিটাগংয়ের ব্যাটারদের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। মোহাম্মদ আলী ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ১ উইকেট এবং ইবাদত হোসেন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেন। শেষ ওভারে বোলারদের চাপ তৈরি করা দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।"  

"বরিশালের বোলিং ইউনিট চিটাগংয়ের ব্যাটারদের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে দলকে জয়ের সুযোগ তৈরি করে। শেষ ওভারে চাপ সহ্য করে বরিশাল জয় নিশ্চিত করে।"  

"ফরচুন বরিশালের এই জয় শুধু একটি ট্রফি নয়, এটি তাদের দলের সংকল্প ও টিমওয়ার্কের প্রমাণ। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতে বিপিএল ইতিহাসে তারা নিজেদের নাম লেখালো।