এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫, ০৪:০৫ পিএম
গাজায় ইসরায়েলের তীব্র বিমান হামলায় রোববার রাতারাতি ১০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। একইসঙ্গে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার উত্তর ও দক্ষিণে ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করেছে, যা বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, হামলায় উত্তর গাজার শেষ কার্যকর হাসপাতালটিও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঘটনাপ্রবাহ:
• দোহায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে পরোক্ষ শান্তি আলোচনা শুরু হলেও কোনো সমাধান হয়নি
• হামাস প্রস্তাব দিয়েছে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও ৩০০ ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তির বিনিময়ে ৭-৯ ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি
• ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে, হামাসের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত তারা
হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা তাহের আল-নুনু জানিয়েছেন, "কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনা চলছে।" তবে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় এই আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দিলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, "হামাসের সম্পূর্ণ পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে।"
মানবাধিকার সংগঠনগুলো গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার ৮০% জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা জরুরি শান্তি আলোচনার আহ্বান জানালেও কূটনৈতিক মহল মনে করছে, নিকট ভবিষ্যতে যুদ্ধবিরতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।