এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ জুন, ২০২৫, ০৩:০৬ পিএম
ইরানে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দেশগুলো এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে, কেউ কেউ একে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে, আবার কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়। তিনি বলেন, “আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হল আমাদের বাহিনীগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
সৌদি আরব একে “ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর স্পষ্ট আগ্রাসন” এবং “আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির লঙ্ঘন” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন এবং প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম উভয়েই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানায়।
ওমান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এ হামলাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং জাতিসংঘের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সংলাপের উপর জোর দিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, “এ ধরনের পরিস্থিতিতে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।”
চীনের দূতাবাস ইরানে থাকা চীনা নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ হামলা শুধু ইরান-ইসরায়েল নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে বড় ধরনের সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের এখন প্রধান দায়িত্ব—দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগে উত্তেজনা হ্রাস করা।