এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৫, ০৮:০৬ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান চারটি মুসলিম প্রধান দেশকে নিয়ে ‘ইসলামিক সেনাবাহিনী’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত এই জোটে ইরান ছাড়াও রয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্ক। ইরানের রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী নিরাপত্তা বিশ্লেষক মহসেন রেজাই জানান, এই সামরিক জোট গঠন করলে মুসলিম দেশগুলোর আত্মরক্ষা ও নিরাপত্তা অনেকাংশে শক্তিশালী হবে।
রেজাই বলেন, “এই সেনাবাহিনী শুধু প্রতিরক্ষা নয়, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকট ও অব্যাহত আগ্রাসনের মুখে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের একটি ইসলামিক আর্মি গঠন হলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। তবে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও জটিল ও বিস্তৃত হয়ে পড়তে পারে।
এরই মধ্যে সোমবার (১৬ জুন) ভোরে ইরান আবারও ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব ও হাইফা শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালানোর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মাত্রা বেড়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন হামলার খবর আসছে, যা গোটা অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ না নিলে পুরো অঞ্চল আরও ভয়াবহ সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।