এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৫, ১১:০৬ পিএম
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী রোববার রাতে 'ট্রু প্রমিজ-৩' অভিযানের তৃতীয় ধাপে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক আক্রমণ চালায়। এই অভিযান ইসরাইলি হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ কমান্ডার ও নিরীহ নাগরিক হত্যার জবাবে পরিচালিত হয়।
রাত ৯:১৫
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র স্ট্রাইক চালায়। ডজনখানেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছোড়া হয়।
রাত ৯:৩০
দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হাইফা শহরে আঘাত হানে। ইসরাইলি মিডিয়া জানায়, কয়েকটি ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরেও আঘাত লেগেছে।
রাত ১০:০০
ইরান 'আয়রন ডোম' নির্মাতা রাফায়েল কোম্পানির কারখানাগুলো লক্ষ্য করে। হাইফা শোধনাগারে আঘাতে ইউরোপে তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়।
রাত ১১:০০
আইআরজিসি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃতীয় ধাপের সাফল্য ঘোষণা করে। তাদের বিবৃতিতে ইসরাইলকে দখলকৃত ভূমি ছাড়তে ultimatum দেওয়া হয়।
রাত ১২:১৫
জেরুজালেম ও উত্তরাঞ্চলে নতুন আঘাতের খবর আসে। ইসরাইলি রেসকিউ সার্ভিস দুটি ভবন ধ্বংসের বিষয় নিশ্চিত করে।
ভোর পর্যন্ত
পরবর্তী ৫ ঘণ্টায় আরও ৫টি ঢেউয়ে ১০০+ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। নেগেভের একটি সামরিক স্থাপনায় আঘাতে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হন।
ভোর ৬:০০
অভিযানের অষ্টম ধাপে ইরান ইসরাইলি কমান্ড সিস্টেমে আঘাত হানার দাবি করে। তাদের দাবি, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
আইআরজিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, "ইসরায়েলের সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।" এই হামলায় ইরান তাদের সামরিক প্রযুক্তির উন্নত ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।