এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৫, ১১:০৬ পিএম
ইরানের ধারাবাহিক বিমান হামলায় কার্যত চাপে পড়েছে বিশ্বের ‘সর্বশ্রেষ্ঠ’ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বলে দাবি করা ইসরায়েল। এমন অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে কয়েক সপ্তাহ সময় নেওয়ার সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর বিশ্লেষক গিডিয়ন লেভি জানান, “এই মুহূর্তে দুই সপ্তাহ মানে অনির্দিষ্টকাল। ট্রাম্প যদি সত্যিই দেরি করেন এবং এটি যদি কোনো কৌশলগত চাল না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা প্রতিদিনই কমে আসছে।”
লেভির মতে, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা গেলেও তা দীর্ঘমেয়াদে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না। ইরান তার সামরিক সক্ষমতা আবার গড়ে তুলবে এবং গাজা ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা হুমকিও বহাল থাকবে।
ইসরায়েলি বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় টিকে থাকার অন্যতম কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো। কিন্তু ট্রাম্পের ‘অপেক্ষা’ কৌশল নেতানিয়াহুর সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, গত ১৭ জুন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে হামলার পরিকল্পনা অনুমোদন করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরে CBS জানায়, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে সম্মত হয়, তাহলে হামলা স্থগিত রাখা হবে।
১৮ জুন ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমি হামলা করতে পারি, আবার না-ও করতে পারি।” তার এমন অনিশ্চয়তা নেতানিয়াহুকে আরও বিচলিত করেছে।
অন্যদিকে, ইরান বারবার জানিয়ে দিয়েছে—তারা হোয়াইট হাউজের মুখাপেক্ষী নয়। বরং ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে তারা আরও ভয়াবহ প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত।