এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৫, ০৩:০৬ পিএম
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এক বক্তব্যে ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা ও দুর্ভোগ ছড়ানোর’ জন্য দায়ী করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডরোথি শে। তার এই বক্তব্য দ্রুতই বিতর্কের জন্ম দেয়। পরে অবশ্য তিনি বলেন, এটি ছিল ‘ভাষাগত ভুল’ এবং তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য সংশোধন করেন।
বক্তব্যে শে প্রথমে বলেন, “ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও মানবিক দুর্ভোগের উৎস।” এরপর বুঝতে পেরে তৎক্ষণাৎ সংশোধন করে বলেন, “আমি আসলে ইরানের কথাই বলতে চেয়েছিলাম। বর্তমান সংঘাত এবং অস্থিতিশীলতার মূল দায় ইরানের। তারা যদি পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করতে চুক্তিতে সম্মত হতো, তাহলে এই পরিস্থিতি নাও সৃষ্টি হতো।”
ডরোথি শের এই ‘স্লিপ অব টাং’ নিয়ে জাতিসংঘে কূটনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে বিরাজমান দ্বন্দ্ব ও বিতর্ক আরও উন্মোচিত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের প্রকাশ্য ভুল কেবল অপ্রত্যাশিত নয়, বরং এটি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলের প্রতি অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেয়।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র পরে সাংবাদিকদের বলেন, “রাষ্ট্রদূত স্পষ্টভাবে নিজের বক্তব্য সংশোধন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার—ইরানই এই অঞ্চলে অস্থিরতার উৎস।”
ঘটনাটি এমন এক সময় ঘটল, যখন ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা তুঙ্গে, এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের শঙ্কা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এমন বিবৃতি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে বলে মত কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের।