এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩ জুলাই, ২০২৫, ০৭:০৭ পিএম
ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের হাইফা শহরে অবস্থিত 'বাজান' তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানকে শহর থেকে অপসারণের দাবি উঠেছে। হাইফার মেয়র ইয়োনা ইয়াহাভ স্পষ্টভাবে বলেছেন, “বাজান কোম্পানি এবং তাদের শোধনাগার এই শহরের জন্য এক মারাত্মক হুমকি। এটি কেবল পরিবেশ নয়, শহরের বাসিন্দাদের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।”
পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানি হামলায় বাজান তেল শোধনাগারের বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হানার ফলে কমপ্লেক্সটি অচল হয়ে পড়ে। এরপরই হাইফার স্থানীয় প্রশাসন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। মেয়র ইয়াহাভ বলেন, “আমরা যে তথ্য পেয়েছি তা থেকে স্পষ্ট, এই শোধনাগারকে অবিলম্বে অন্যত্র সরানো না হলে, হাইফার জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।”
হাইফা পরিবেশ সংরক্ষণ সংগঠনের প্রধান আভিহু হান বলেন, “বাজান কোম্পানির দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও অহংকারের মূল্য আবারও দিতে হলো হাইফার সাধারণ মানুষকে। তাদের জন্য হাইফার মাটিতে আর কোনো জায়গা নেই।”
দখলদার ইসরাইলের চ্যানেল-১১ জানিয়েছে, ইরানের হামলায় তেল শোধনাগার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৩ জুনের ‘ট্রু প্রমিজ-৩’ অভিযানের আওতায় ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, ইসরাইলি আগ্রাসনে তাদের সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অনেক বেসামরিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন। এর জবাবে ইসরাইলের ভেতরে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা ছিল ইরানের কৌশলগত বার্তা—যা হাইফার মতো শহরকেও বিপদে ফেলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।