ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

অভিযানের মাঝেই আঘাত! রোহিত শর্মার ব্যথা ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের গল্প


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২২ জুলাই, ২০২৫, ১২:০৭ এএম

অভিযানের মাঝেই আঘাত! রোহিত শর্মার ব্যথা ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের গল্প

ভারতীয় ক্রিকেট দলের ইতিহাসে রোহিত শর্মার নাম এখন স্বর্ণাক্ষরে লেখা। কিন্তু এই সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে আছে এক অসহ্য ব্যথার গল্প। গত বছর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার সময় তিনি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি নিয়েই খেলেছিলেন বলে জানা গেছে।

সাবেক ভারতীয় সিলেক্টর জাতিন পরাঞ্জপে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, রোহিত প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস ধরে এই আঘাত নিয়ে লড়াই করছিলেন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলেও তিনি দলের জন্য খেলতে থাকেন।

এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার উইকেটে জয় পেয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত। রোহিতের নেতৃত্বে দলটি অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছিল। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, এই জয়ের পেছনে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল অধিনায়ককে।

মে মাসে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেন রোহিত। টি২০আই থেকেও তিনি ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছিলেন। কিন্তু পরাঞ্জপের মতে, তিনি আরও কিছুদিন খেলতে পারতেন। তার ব্যাটিং ফর্ম অসাধারণ ছিল। বিশেষ করে তার হুক শট ক্রিকেট বিশ্বে আলোচিত ছিল।

২০০৭ সালে এমএস ধোনির নেতৃত্বে টি২০ বিশ্বকাপ জেতার পর ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতেছিলেন রোহিত। এবার অধিনায়ক হিসেবেই দুটি বড় টুর্নামেন্ট জিতলেন তিনি। এছাড়াও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে পাঁচটি আইপিএল শিরোপা এনে দিয়েছেন এই লিজেন্ড।

কিন্তু এই সাফল্যের পরেও ওডিআই ক্রিকেটে তার ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রস্তাবিত সিরিজ বাতিল হয়েছে বলে খবর। আগে বাংলাদেশ সফরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজেই তাকে ফিরতে দেখা যাবে।

রোহিত শর্মা ওডিআই ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। ২৭৩ ম্যাচে ১১,১৬৮ রান করেছেন তিনি। তার ২৬৪ রানের ইনিংসটি ওডিআই ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্কোর। এই রেকর্ডটি এখনও অক্ষত আছে।

ক্রিকেট বিশ্বে রোহিত শর্মার এই ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্প নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। শারীরিক কষ্টকে উপেক্ষা করে দলের জন্য লড়াই করার এই মানসিকতা তাকে করে তুলেছে সত্যিকারের লিজেন্ড।