ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

নেতানিয়াহুর চমকপ্রদ পরিকল্পনা! মিসর-জর্ডানকে যুক্ত করে ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ গঠনের আকাঙ্ক্ষা


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ পিএম

নেতানিয়াহুর চমকপ্রদ পরিকল্পনা! মিসর-জর্ডানকে যুক্ত করে ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ গঠনের আকাঙ্ক্ষা

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক ‘ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মিশনে’ রয়েছেন। তিনি মিসর ও জর্ডানের অংশসহ পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে মিলিয়ে ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ গঠনের পরিকল্পনা করছেন। ৬ দিনের যুদ্ধের পর দখলকৃত অঞ্চলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে এই দর্শনের প্রতি নেতানিয়াহু জানিয়েছেন গভীর অনুরাগ, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার মিসর ও জর্ডানের কিছু অংশসহ পুরো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে নিয়ে ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ গঠনের পরিকল্পনা করছেন। তিনি এটিকে এক ‘ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মিশন’ হিসেবে দেখছেন।

সম্প্রতি তিনি এই অবস্থান প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি আই-২৪ চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে। সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ দর্শনের প্রতি অত্যন্ত অনুরক্ত। ঐতিহাসিকভাবে এই ধারণায় বর্তমান ইসরায়েল, ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত এলাকা এবং বর্তমান জর্ডান ও মিসরের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত।

সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী শ্যারন গাল, যিনি স্বল্প সময়ের জন্য ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ডানপন্থী সদস্য ছিলেন, নেতানিয়াহুকে একটি তাবিজ উপহার দেন। তাবিজটিতে ‘প্রতিশ্রুত ভূমির মানচিত্র’ অর্থাৎ বৃহত্তর ইসরায়েলের মানচিত্র ছিল।

নেতানিয়াহু জানান, বৃহত্তর ইসরায়েল দর্শনের সঙ্গে তার সংযোগ অত্যন্ত গভীর। ১৯৬৭ সালের জুনের ৬ দিনের যুদ্ধের পর দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, সিনাই উপদ্বীপ এবং গোলান মালভূমি অন্তর্ভুক্ত। শুরুর দিকের কিছু জায়নবাদী নেতা বর্তমান জর্ডানকেও এই ধারণার সঙ্গে যুক্ত করতেন।

শ্যারন গাল নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ইহুদি জনগণের পক্ষ থেকে কোনো মিশনে আছেন। নেতানিয়াহু বলেন, “প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমরা এক মিশনে আছি। ইহুদিরা এখানে আসার স্বপ্ন দেখেছে এবং আমাদের পরেও অনেক প্রজন্ম আসবে একই স্বপ্ন নিয়ে। ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিকভাবে আমার মধ্যে মিশন কাজ করছে।”