ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ট্যাংক আর ক্ষেপণাস্ত্রের আগুনে জ্বলছে গাজা! কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রাত


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০৮ পিএম

ট্যাংক আর ক্ষেপণাস্ত্রের আগুনে জ্বলছে গাজা! কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রাত

গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলের সবচেয়ে তীব্র হামলা চালানো হয়েছে ১১ আগস্ট রাতে। ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র আর বিমান হামলায় সাবরা, জয়তুন ও শেজাইয়া এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। আল শিফা হাসপাতালে সাংবাদিকসহ ৬ জন নিহত হন। স্থানীয়রা বলছেন, যুদ্ধ যেন নতুন করে শুরু হয়েছে, আতঙ্কে বহু মানুষ ঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

গাজা উপত্যকার পূর্বাঞ্চল আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) রাতেই ইসরায়েল সেখানে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ একসঙ্গে চলছিল।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা সিটিতে সম্প্রসারিত অভিযান দ্রুত শেষ করার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাবরা, জয়তুন ও শেজাইয়া এলাকায় তীব্র হামলা শুরু হয়।

তীব্র গোলাগুলির মুখে বহু পরিবার পশ্চিম দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ রাতটিই ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এতে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে আল শিফা হাসপাতালের প্রাঙ্গণে। একটি তাঁবুর ভেতরে আল জাজিরার খ্যাতনামা সাংবাদিক আনাস আল শরীফসহ ছয়জন সাংবাদিক নিহত হন। প্রায় ২২ মাসে সাংবাদিকদের ওপর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

হামাস জানায়, উত্তরাঞ্চল থেকে স্থানচ্যুত হওয়া প্রায় ১০ লাখ মানুষ বর্তমানে গাজা সিটিতে আশ্রয় নিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ করেছে এবং রোববার একটি রকেট উৎক্ষেপণস্থল ধ্বংস করেছে।

২৫ বছর বয়সী বাসিন্দা আমর সালাহ বলেন, “যুদ্ধ যেন নতুন করে শুরু হয়েছে—ট্যাংকের গোলা, আকাশের ক্ষেপণাস্ত্র, ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর।”