এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০৮ পিএম
যুক্তরাজ্যের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া চীনা শিক্ষার্থীদের ওপর সহপাঠীদের নজরদারি বা গুপ্তচরবৃত্তি করার চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নতুন প্রতিবেদনে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর একাডেমিক সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
যুক্তরাজ্য-চীন ট্রান্সপারেন্সি নামের একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্কের জরিপে দেখা গেছে, চীনা সরকারি কর্মকর্তারা শুধু শিক্ষার্থী নয়, কিছু চীন–বিষয়ক গবেষণায় নিয়োজিত অধ্যাপককেও ‘সংবেদনশীল বিষয়’ এড়িয়ে চলতে বলেছে। এই সংবেদনশীল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—জিনজিয়াংয়ে কথিত জাতিগত নিপীড়ন, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব, এবং চীনা প্রযুক্তি কোম্পানির উত্থান।
গুরুতর অভিযোগ আরও বলছে, সংবেদনশীল বিষয়ে কথা বললে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের চীনে হয়রানি বা হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের নতুন আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একাডেমিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় আরও সক্রিয় হতে হবে। আইন ভাঙলে কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
লন্ডনে চীনা দূতাবাস এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বলেছে, ক্যাম্পাসে ভয়ভীতি বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশটির দক্ষতাবিষয়ক মন্ত্রী জ্যাকি স্মিথ বলেছেন, “একাডেমিক স্বাধীনতা আমাদের বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের অবিচ্ছেদ্য অংশ—এ বিষয়ে কোনো আপস নেই।”
নতুন আইনের আওতায়, বিদেশি অর্থায়নে হওয়া কোনো চুক্তি, বৃত্তি বা কর্মসূচি যদি মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হুমকি সৃষ্টি করে, তবে তা সংশোধন বা বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে অফিস ফর স্টুডেন্টস।