এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ০৯:০৮ পিএম
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের দমন-পীড়নের বিষয় এবার সরাসরি স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। এই স্বীকৃতি কেবল কূটনৈতিক মহলে আলোড়ন তোলে নি, বরং আমেরিকাকে দাঁড় করিয়েছে এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের খেলায়— দীর্ঘদিনের ইসরাইল সমর্থন বনাম মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক দাবি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সাম্প্রতিক বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— পশ্চিমতীরে ইসরাইলি সহিংসতা ২০০৫ সালের পর প্রতিদিনের গড় হিসাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, ইসরাইল বা তাদের এজেন্টদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ‘গুম’ হওয়ার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। অনেককে গাজা থেকে গ্রেফতার করে সরাসরি ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আল জাজিরা প্রতিবেদনের এই বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে কিছু ইসরাইলি গণমাধ্যম বিষয়টি আড়াল করেছে, আবার কেউ বলছে— এটি দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের ফাটল ধরাতে পারে। হামাস ও ইসলামিক জিহাদের মতো ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীও নিজেদের আন্দোলনের বৈধতা জাহির করতে এই প্রতিবেদনকে ব্যবহার করছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় জাতিসংঘের সহকারী মুখপাত্র ফারহান হক জানিয়েছেন— পশ্চিমতীরে ইসরাইলি সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বাড়ছে। শুধু গত সপ্তাহেই অন্তত ২৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে হতাহত ও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। জাতিসংঘ আবারও জোর দিয়ে বলেছে— পশ্চিমতীর, বিশেষ করে জেরুজালেমে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।