এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ০৬:০৮ পিএম
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু গাজায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, চাইলে ড্রেসডেনের মতো বোমাবর্ষণ ও দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলকে শূন্য করে দিতে পারেন। তবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, এখনো এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং হামাসকে আলাদা করতে বেসামরিকদের নিরাপদ রাখা হচ্ছে।
প্রবন্ধ:
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর হুমকি দিয়েছেন। তার ভাষায়, চাইলে ইসরায়েল ড্রেসডেনের মতো ভয়াবহ বোমাবর্ষণ করতে পারে এবং এমন দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করতে পারে, যাতে জীবন শূন্য হয়ে যায়।
মার্কিন ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স-এ বুধবার, ১৩ আগস্ট দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা চাইলে ড্রেসডেনের মতো বোমা ফেলতে পারি। চাইলে গাজায় এমন দুর্ভিক্ষ ঘটাতে পারি, যাতে কেউ বেঁচে না থাকে। কিন্তু এখনো আমরা তা করিনি।”
প্রশ্ন করা হলে কেন ইসরায়েল এখনো হামাস ও গাজাকে পুরোপুরি ‘মানচিত্র থেকে মুছে দেয়নি’, তিনি এ বক্তব্য দেন।
নেতানিয়াহু আরও স্বীকার করেছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলা ছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতা ও ত্রুটির ফল। বর্তমানে ইসরায়েল আটটি ভিন্ন পক্ষের সঙ্গে লড়ছে—যার মধ্যে সাতটি হলো ইরান ও তাদের মিত্রগোষ্ঠী, আর অষ্টমটি তিনি “সত্যের জন্য যুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন।
গাজায় দুর্ভিক্ষের অভিযোগ নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, এসব “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা”। তার দাবি, একমাত্র হামাসের হাতে আটক ইসরায়েলি জিম্মিরাই ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্ভিক্ষের শিকার। “হামাস যখন ভুরিভোজ করছে, তখন দুর্বল ও অসুস্থ জিম্মিদের দেখে এটা স্পষ্ট বোঝা যায়,” মন্তব্য করেন তিনি।
তবে নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল কখনোই “অনাহারের নীতি” নেয়নি। বরং তারা বেসামরিক নাগরিকদের থেকে হামাস যোদ্ধাদের আলাদা করার জন্য কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছে।