ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

মৃত ভোটারদের সঙ্গে চা খেলে ভাইরাল রাহুল গান্ধী! দিল্লিতে খোলাখুলিভাবে অভিযোগ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম

মৃত ভোটারদের সঙ্গে চা খেলে ভাইরাল রাহুল গান্ধী! দিল্লিতে খোলাখুলিভাবে অভিযোগ

বিহারের ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ ঘোষণা করা সাতজন জীবিত ভোটারের সঙ্গে চা খেলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। দিল্লির বাসভবনে আয়োজন করা এই চা-আড্ডার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। রাহুল জানান, অনেক ভোটারকে মৃত ঘোষণা করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেছেন, ভোট চুরি হতে দেবেন না এবং ভোটারের অধিকার রক্ষা করবেন।

প্রবন্ধ:
ভারতের রাজনীতিতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা— বিহারের ভোটার তালিকায় মৃত হিসেবে নাম কাটা সাতজন জীবিত ভোটারের সঙ্গে চা খেলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

দিন দুয়েক আগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ এর অভিযোগ তুলে বিরোধী এমপিদের সঙ্গে মিছিল করেছিলেন রাহুল। এবার তিনি নিজের দিল্লির বাসভবনে চার নারী ও তিন পুরুষ ভোটারকে ডেকে চা-আড্ডায় বসলেন।

কংগ্রেসের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, রাহুল নিজ হাতে অতিথিদের চা দিচ্ছেন এবং গল্প করছেন। প্রথমেই মজা করে বলেন, “শুনলাম আপনারা তো আর বেঁচেই নেই!” উত্তরে একজন ভোটার জানান, “আমাদের মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।”

রাহুল জিজ্ঞেস করেন, “জানলেন কীভাবে?” জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, “ভোটার তালিকা দেখে।” ভিডিওতে রামইকবাল রায়ের ভোটার আইডিও দেখানো হয়, যেখানে ১৯৫৯ সালে জন্ম ও বাবার নাম লেখা আছে লক্ষ্মী রায়।

কথোপকথনে জানা যায়, শুধু এ সাতজন নয়—প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় অন্তত ৫০ জনের নাম এভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই আলাদা বুথের ভোটার, এবং এ ঘটনা ঘটেছে বিহারের রাঘোপুর আসনে, যা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের কেন্দ্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, তেজস্বীকে হারানোর জন্যই এই ‘মৃত ঘোষণা কেলেঙ্কারি’ করা হয়েছে।

একজন ভোটার বলেন, কমিশনের কর্মীরা নথি চেয়েছিলেন—আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবইয়ের কপি, ছবি—সব দিয়েও শেষমেশ মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

আড্ডায় একজন বলেন, “মহাজোট মিলে বিহারকে বাঁচাক।” রাহুল জবাব দেন, “আমরা আরজেডি মিলে চেষ্টা করছি। ভোট চুরি হতে দেব না—বন্ধ করে দেব।”

ভিডিওটি এক্স-এ পোস্ট করে রাহুল মশকরা করে লিখেছেন—“জীবনে কখনো মৃতদের সঙ্গে চা খাওয়ার সুযোগ হয়নি। এই অভিজ্ঞতার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ।”

এর আগে, ৭ আগস্ট রাহুল সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ আনেন। কমিশন রাহুলের কাছে প্রমাণপত্র চেয়ে বলেছে—যদি অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।