ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ইসরাইল পশ্চিম তীরকে টুকরো টুকরো করছে! জাতিসংঘের তীব্র নিন্দা, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ পিএম

ইসরাইল পশ্চিম তীরকে টুকরো টুকরো করছে! জাতিসংঘের তীব্র নিন্দা, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার"

ইসরাইল পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের মধ্যবর্তী এলাকায় হাজারো নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় এই পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করে তীব্র সমালোচনা করেছে।

জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি: "এটি যুদ্ধাপরাধ"
১৫ আগস্ট শুক্রবার জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আশেপাশের ফিলিস্তিনিরা জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার হতে পারেন, যা যুদ্ধাপরাধের সমান হবে। জাতিসংঘের মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, এই পরিকল্পনা পশ্চিম তীরকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন অংশে বিভক্ত করে দেবে।

ইসরাইলি মন্ত্রীর বিতর্কিত বক্তব্য
এর আগে ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মটরিচ ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই বসতি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন। তিনি দাবি করেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ধারণা "চিরতরে শেষ হয়ে যাবে"।

কী বলছে পরিসংখ্যান?
বর্তমানে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় ২৭ লাখ ফিলিস্তিনি এবং সাত লাখ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বাস করেন। ইসরাইল ১৯৮০ সালে পূর্ব জেরুজালেমকে নিজেদের সাথে যুক্ত করলেও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই এটি স্বীকৃতি দেয়নি।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ
বিশ্বের বেশ কয়েকটি শক্তি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে বসতি সম্প্রসারণের ফলে একটি সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সংহতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে এই অঞ্চলগুলো ইসরাইলের দখলে রয়েছে, যদিও দুই রাষ্ট্র সমাধানের জন্য পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজায় একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল।

ইসরাইলের যুক্তি
ইসরাইল দাবি করে যে এই এলাকাগুলোর সাথে তাদের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। তাদের মতে, এসব বসতি তাদের কৌশলগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তারা পশ্চিম তীরকে "অধিকৃত" নয়, বরং "বিতর্কিত" এলাকা হিসেবে দেখতে চায়।

কী হতে পারে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনিদের জন্য ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ সত্ত্বেও ইসরাইল তাদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না বলে মনে হচ্ছে।