এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ০৩:০৮ পিএম
কাতারের পর এবার সরাসরি অবস্থান নিল জর্ডান। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিতর্কিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে দেশটি জানিয়েছে— এ পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনকেও স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে।
ঘটনার সূত্র মঙ্গলবারের এক মন্ত্রিসভা বৈঠক। সেখানে নেতানিয়াহু গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। যদিও বক্তব্যের হুবহু অংশ প্রকাশ পায়নি, বিশ্লেষকদের মতে তিনি আসলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর স্থায়ী ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বক্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় জর্ডান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুফিয়ান কুদাহ একে ‘ভ্রান্ত উসকানি’ এবং জাতিসংঘ সনদের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
“এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই জর্ডান বা আরব বিশ্বকে দুর্বল করতে পারবে না, আর ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার কখনোই মুছে যাবে না।”
তিনি আরও সতর্ক করে দেন— নেতানিয়াহুর পরিকল্পনা নতুন সংঘাত উসকে দেবে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছে জর্ডান।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইসরায়েলি নেতাদের ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ পরিকল্পনা এখন কার্যত এক ‘ওপেন সিক্রেট’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু নিজেই বলেছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন তার কাছে “ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মিশন।” তার ইঙ্গিত অনুযায়ী, এ পরিকল্পনায় শুধু বর্তমান ইসরায়েল নয়— ফিলিস্তিনের নির্ধারিত এলাকা, এমনকি জর্ডান ও মিশরের কিছু অংশও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।