ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ইরানের ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন! শত্রুর রাডারে ধরা অসম্ভব, আতঙ্কে ইসরাইল-আমেরিকা-ন্যাটো


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম

ইরানের ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন! শত্রুর রাডারে ধরা অসম্ভব, আতঙ্কে ইসরাইল-আমেরিকা-ন্যাটো

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বৈশ্বিক দৌড়ে বিশাল অগ্রগতি দেখাল ইরান। বিশ্বজুড়ে যখন এই প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা তুঙ্গে, ঠিক তখনই দেশটি নিজেদের সামরিক শক্তির প্রতীক হিসেবে উন্মোচন করেছে ভয়ংকর ‘ফাতাহ’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।

গতি আর পাল্লায় অপ্রতিরোধ্য

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মূল শক্তি হলো এর ভয়ংকর গতি। শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি বেগে চলা এসব অস্ত্র মাঝপথে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পার্সটুডে জানিয়েছে, ফাতাহ সর্বোচ্চ ম্যাক ১৩ গতিতে উড়তে পারে এবং এর পাল্লা প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র শুধু দ্রুত নয়, বরং লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এটি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।

কেন এত ভয়ংকর ফাতাহ?

ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক জ্বালানি প্রযুক্তি ও উন্নত ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম। অর্থাৎ, আকাশে উড়তে উড়তেই এটি নিজের গতিপথ পাল্টে ফেলতে পারে। ফলে প্রতিপক্ষের রাডারের পক্ষে এর গতিপথ অনুমান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই একে আটকানো কার্যত দুঃস্বপ্নের মতো।

বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব

ইরান দাবি করছে, ফাতাহ ক্ষেপণাস্ত্র শুধু তাদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ায়নি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্ত্র হাতে পাওয়ায় ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিদ্বন্দ্বীরা চাপে পড়ে যাবে।

সারসংক্ষেপে বলা যায়, ফাতাহ শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং ইরানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। দেশীয় গবেষণা আর আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে এটি এখন ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের নতুন ‘গর্ব’।