ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ইমিগ্রেশন! দুবাই বিমানবন্দরে এআই প্রযুক্তির যুগান্তকারী উদ্যোগে যাত্রীরা উচ্ছ্বসিত


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম

মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ইমিগ্রেশন! দুবাই বিমানবন্দরে এআই প্রযুক্তির যুগান্তকারী উদ্যোগে যাত্রীরা উচ্ছ্বসিত

আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নতুন এক দিগন্ত খুলে দিয়েছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ২০২৪ সালেও যাত্রী পরিবহনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর হিসেবে শীর্ষে থাকা এই টার্মিনাল এবার চালু করেছে এআই-চালিত নতুন ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা। আর এই প্রযুক্তির কারণে কয়েক সেকেন্ডেই সম্পন্ন হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া, যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে শূন্যের কোঠায়।

এয়ারপোর্টস কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল (ACI) ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, দুবাই বিমানবন্দরে এই অভূতপূর্ব সেবায় যাত্রীরা ব্যাপক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

স্টপেজ নয়, পাসপোর্টও নয়—মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই ইমিগ্রেশন

বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক এআই-চালিত করিডর। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ জন যাত্রী একসঙ্গে কোনো ধাপ থেমে না গিয়ে, এমনকি পাসপোর্ট হাতে না দেখিয়েই, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আলখালিজ জানিয়েছে, যাত্রী করিডরে প্রবেশ করার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করে ফেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুবাইয়ের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব আইডেন্টিটি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স (GDRFA)-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আহমেদ আল মারি।

দ্বিগুণ ধারণক্ষমতা ও ভুয়া পাসপোর্ট প্রতিরোধ

আল মারি বলেন, “এই এআই করিডর শুধু প্রক্রিয়াকে দ্রুত করছে না, বরং বিমানবন্দরের ধারণক্ষমতাও দ্বিগুণ করেছে। একই সঙ্গে ভুয়া বা সন্দেহজনক পাসপোর্ট শনাক্ত হলে তা সঙ্গে সঙ্গে ফরজারি বিশেষজ্ঞদের কাছে চলে যাচ্ছে।”

এর ফলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এটি শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং বিশ্বের প্রথম উদ্যোগ যেখানে যাত্রীরা পাচ্ছেন সত্যিকার অর্থে ‘সীমাহীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা’।

যাত্রীদের অভিজ্ঞতা

সিরিয়ার যাত্রী মোহাম্মদ আমের জানান, “আমি পরিবার নিয়ে ভ্রমণ করেছি। অভিজ্ঞতাটা ছিল অসাধারণ। এত দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ হলো যে, এখন আর পাসপোর্ট কন্ট্রোলে দাঁড়াতে হয় না।”

অন্যদিকে, কানাডার যাত্রী মাহমুদ বালু বলেন, “দুবাই নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে যাত্রীদের ভিড় ও অপেক্ষার সময় কমিয়ে এনেছে। এতে ভ্রমণ এখন অনেক সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে গেছে।”