এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:০৮ পিএম
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে অবশেষে বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবার জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে রাজি।
ট্রাম্পের ফোনালাপেই শুরু নতুন অধ্যায়
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি নিজেই পুতিনকে ফোন করেছিলেন এবং প্রায় ৪০ মিনিট ধরে কথা হয়েছে। ক্রেমলিনও এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্প জানান, ইউক্রেনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি ইউরোপীয় দেশগুলো দেবে, আর যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রক্রিয়ায় সমন্বয় করবে।
“খুব ভালো আলোচনা হয়েছে”—জেলেনস্কি
বৈঠকের পর জেলেনস্কি বলেন, তাদের মধ্যে “সংবেদনশীল বিষয়” নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টির বিষয়েও আশাবাদী। তিনি স্পষ্ট করে জানান, তিনি দ্বিপাক্ষিকভাবে পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত।
যুদ্ধবিরতি ছাড়াই আলোচনা সম্ভব?
ট্রাম্প মনে করেন, যুদ্ধ শেষ করার আলোচনার জন্য আলাদা করে যুদ্ধবিরতি দরকার নেই। তবে ইউরোপীয় নেতারা ভিন্ন মত দিয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।
“এটা ছিল ঐতিহাসিক মুহূর্ত”—রুবিও
মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিওও হোয়াইট হাউসের বৈঠককে “অভূতপূর্ব” বলে অভিহিত করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে অচলাবস্থার পর এবার প্রথমবারের মতো সমাধানের পথে পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, বাইডেন সরকারের সময় একমাত্র পরিকল্পনা ছিল ইউক্রেনকে অব্যাহত অর্থায়ন করা। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে—এবার বাস্তবেই যুদ্ধ শেষ করার উপায় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
“সময়ের দরকার, কিন্তু এগোচ্ছে প্রক্রিয়া”
রুবিওর মতে, সমাধান আসতে আরও কিছুটা সময় ও পরিশ্রম লাগবে, তবে ইতিমধ্যেই অগ্রগতি হচ্ছে। আর সেটাই নতুন আশার সঞ্চার করছে বিশ্ব কূটনীতিতে।