এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২০ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম
ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে রাজি করাতে দখলদার ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিসর। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আব্দেল এতি স্পষ্ট করে বলেছেন,
“বল এখন ইসরায়েলের কোর্টে। যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হতে তাদের অবশ্যই চাপ দিতে হবে। একমাত্র এর মাধ্যমেই গাজার মানবিক বিপর্যয় কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব।”
ইতিমধ্যেই মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো হামাস ও ইসরায়েলের জন্য একটি নতুন প্রস্তাব এনেছে। এতে বলা হয়েছে, ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির আওতায় ১০ জন জীবিত জিম্মি মুক্তি পাবে। হামাস এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে বলে মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছে।
অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা আগামী শুক্রবারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক মতামত জানাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দপ্তরের একটি সূত্র বলেছে, ইসরায়েল কেবল ১০ জন নয়, জীবিত–মৃত মিলিয়ে ৫০ জন জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি চায়। ফলে মূলত এই শর্ত দিয়ে ইসরায়েল প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। এই আশঙ্কায় সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে মিসর। মঙ্গলবার মিডল ইস্ট আই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিসরের এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, উত্তর সিনাই অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। যা ১৯৭৯ সালের মিসর–ইসরায়েল শান্তিচুক্তিতে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বহুগুণ বেশি।
তিনি আরও বলেন, “গত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম আমরা মিসরের সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় দেখতে পাচ্ছি।” জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাতাহ আল–সিসির সরাসরি নির্দেশেই সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রিম কাউন্সিল এবং জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেন।