ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ম্যাক্রোঁর সতর্কবার্তা: পুতিন এখনও শান্তি আনার জন্য প্রস্তুত নন!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২০ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম

ম্যাক্রোঁর সতর্কবার্তা: পুতিন এখনও শান্তি আনার জন্য প্রস্তুত নন!

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে শান্তি আনার জন্য এখনো প্রস্তুত মনে হচ্ছেন না। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, যদি কোনো শান্তি চুক্তি হয়, তা কিয়েভকে দৃঢ় নিরাপত্তা নিশ্চয়তার সঙ্গে সমর্থিত হতে হবে। 

মঙ্গলবার ১৯ আগস্ট আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, “পরিস্থিতি ও বাস্তবতা দেখলে আমি মনে করি, প্রেসিডেন্ট পুতিন এখন শান্তি আনার জন্য খুবই ইচ্ছুক নন। তবে হয়তো আমি একটু অতিরিক্ত নেগেটিভ ভাবছি।”

তিনি ট্রাম্পের সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আশাবাদকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ম্যাক্রোঁ বলেন, যদি চুক্তি সম্ভব হয়, তা হবে চমৎকার খবর, এবং আমরা সব চেষ্টা করব একটি সফল চুক্তি আনার জন্য।
ম্যাক্রোঁ আরও জোর দিয়ে বলেন, শান্তি আলোচনায় ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্ররা মস্কোর ওপর চাপ ও শক্তিশালী নিষেধাজ্ঞা বাড়াবে।

“রাশিয়ানরা যদি এই পন্থা মানতে না চায়, তাহলে আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে হবে। রাশিয়া আগ্রাসী; তারা মানুষ হত্যা করেছে, শিশু চুরি করেছে এবং যুদ্ধবিরতি অস্বীকার করেছে। আমরা কেবল সমান পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারি না। ইউক্রেনকে অবশ্যই বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আগ্রাসন রোধ করা যায়।”

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের ভূ-অঞ্চল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া শুধুমাত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ও জনগণের বিষয়।

হোয়াইট হাউসে ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ছিলেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন দের লেইয়েন, ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

ম্যাক্রোঁ সতর্ক করেছেন, এই সংঘাতের প্রভাব শুধু ইউক্রেনেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, “যা হচ্ছে তা ইউক্রেনের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, পাশাপাশি ইউরোপের নিরাপত্তার জন্যও। আমরা এমন এক পারমাণবিক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি, যা আন্তর্জাতিক সীমানা অমান্য করছে। আমাদের আচরণ ইউক্রেনে হবে বিশ্বব্যাপী আমাদের সম্মিলিত বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষাও।