ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

হামাসের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে অনিশ্চয়তা, সব জিম্মি ফেরত চাইছে ইসরায়েল!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২১ আগস্ট, ২০২৫, ০৫:০৮ পিএম

হামাসের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে অনিশ্চয়তা, সব জিম্মি ফেরত চাইছে ইসরায়েল!

গাজা যুদ্ধ থামাতে নতুন করে আলোচনার ইঙ্গিত মিললেও ইসরায়েলের কড়া অবস্থান পুরো প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।
কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস সোমবার ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। ওই প্রস্তাবে প্রায় অর্ধেক জিম্মিকে ফেরত দেওয়ার শর্ত রাখা হয়। কাতার জানিয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া আগের খসড়ার সঙ্গে প্রায় অভিন্ন।

তবে ইসরায়েলি সরকারি মুখপাত্র ডেভিড মেনসার বলেছেন, তাদের সরকার “আংশিক চুক্তিতে” আগ্রহী নয়। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও স্পষ্ট করেছেন, ইসরায়েলের নীতি অপরিবর্তিত—সব জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিতে হবে, আংশিক নয়।
ফিলিস্তিনি সূত্র বলছে, প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথম ধাপে ১০ জন জীবিত ও ১৮ জন মৃত জিম্মি ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। ধাপে ধাপে আরও জিম্মি ছাড়ার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর বিনিময়ে ইসরায়েলকে ১,৫০০ জন গাজাবাসী বন্দি ও দীর্ঘমেয়াদি সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি মুক্তি দিতে হতো।

কিন্তু ইসরায়েল দাবি করছে, বর্তমানে জীবিত জিম্মি আছে মাত্র ২০ জন। ফলে প্রস্তাব নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।
এদিকে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শেষ করতে হলে শর্তগুলোর মধ্যে থাকতে হবে—হামাসকে নিরস্ত্র করা, গাজার সামরিকীকরণ বন্ধ করা, গাজার চারপাশে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং হামাস ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ছাড়া নতুন প্রশাসন গঠন।
একই সঙ্গে খবর এসেছে, ইসরায়েলি সেনারা গাজা সিটিতে প্রবেশের পরিকল্পনা করছে। এরই মধ্যে চলমান হামলায় হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ৬২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে অবকাঠামো, তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে, আর জাতিসংঘের খাদ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন—দুর্ভিক্ষ আসন্ন।