ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে আকাশপথে সহায়তার ইঙ্গিত ট্রাম্পের


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২১ আগস্ট, ২০২৫, ০৬:০৮ পিএম

রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে আকাশপথে সহায়তার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পর ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তারা জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক প্রতিশ্রুতির পরই এই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে।
সোমবার এক শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টাগন ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। যুদ্ধের পর অস্ত্র সহায়তার বাইরে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সমর্থন দিতে পারে, তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি বিকল্প হলো, ইউরোপীয় সেনারা ইউক্রেনে পাঠানো হলেও তাদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নেবে। তবে তারা ন্যাটোর অধীনে নয়, বরং নিজের দেশের পতাকার অধীনে কাজ করবে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমন্বয় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ন্যাটো দেশের সেনা মোতায়েন করা হবে না।

ট্রাম্প সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আকাশপথে সহায়তার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, “ইউরোপীয়রা মাটিতে সেনা পাঠাতে ইচ্ছুক, আর আমরা আকাশপথে সাহায্য দিতে পারি। আমাদের এই সক্ষমতা অন্য কারও নেই।”

মার্কিন সহায়তার আওতায় ইউক্রেনকে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়া বা মার্কিন যুদ্ধবিমান দিয়ে ‘নো-ফ্লাই জোন’ কার্যকর করার মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে। ২০২২ সালে রাশিয়ার সর্বাত্মক আগ্রাসনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভে কয়েকশ কোটি ডলারের অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠিয়েছে। যদিও এই বছর ফেব্রুয়ারি ও জুলাইয়ে ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকের পর কিছু সময় সরবরাহ স্থগিত করা হয়েছিল, পরে তা আবার চালু হয়।