ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

পাকিস্তানে ভারতীয় ‘র’-এর নেটওয়ার্ক ভাঙলো সিটিডি, ছয়জন গ্রেপ্তার: সন্ত্রাসী অর্থায়নের প্রমাণ মিলেছে


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২৩ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম

পাকিস্তানে ভারতীয় ‘র’-এর নেটওয়ার্ক ভাঙলো সিটিডি, ছয়জন গ্রেপ্তার: সন্ত্রাসী অর্থায়নের প্রমাণ মিলেছে

পাকিস্তানের কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি) করাচিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (R & AW)-এর সঙ্গে যুক্ত একটি বড় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে। শনিবার তারা ঘোষণা করেছে, এই নেটওয়ার্কে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিটিডি জানিয়েছে, ফেডারেল গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় অভিযানে ‘র’-এর পুরো নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হয়েছে।

সিটিডি’র অতিরিক্ত আইজিপি আজাদ খান বলেন, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই বাদিন এলাকায় ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হত্যা করার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা আরও বিস্তৃত নেটওয়ার্কের খোঁজ পান। বিদেশে অবস্থানরত হ্যান্ডলার সঞ্জয় সঞ্জীব কুমার সন্দেহভাজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং পরিকল্পনা সাজাতেন।

আজাদ খান জানান, হত্যার আগে সন্দেহভাজনরা পাঁচ দিন মাতলিতে নজরদারি চালায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় তিনজন ঘটনাস্থলে শনাক্ত হয়েছেন। নেটওয়ার্কের নেতৃত্বে ছিলেন সালমান, যার দলে ছিল উমায়ের, সাজাদ, ওবায়েদ ও শাকিল। তদন্তে প্রমাণ মিলেছে, ‘র’ বিপুল অর্থায়ন করেছে, যা ব্যাংক চ্যানেল ও অন্যান্য মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো আমির আসগর, সাজাদ, ওবায়েদ, শাকিল, আরসালান এবং তালহা উমায়ের। তাদের কাছ থেকে ৯ মিমি পিস্তল, ৩০ বোর পিস্তল, মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক আব্দুর রহমান, যাকে ১৮ মে মাতলিতে দোকানের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আজাদ খান বলেন, ‘র’ শুধু অভিযান নির্দেশ করেনি, বরং একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকেও প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করেছে। প্রমাণ মিলেছে, নিষিদ্ধ সংগঠনও হামলায় সহযোগিতা করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘র’-এর সম্পৃক্ততা পুরোপুরি প্রমাণিত। জবানবন্দি, উদ্ধারকৃত সামগ্রী ও ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে তদন্ত এখনো চলমান এবং আরও গ্রেপ্তার হতে পারে।