এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম
গত পাঁচ বছরে লিঙ্কডইনের জরিপে দেখা গেছে, তরুণরা অন্যান্য বয়সের তুলনায় ক্যারিয়ার নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এন্ট্রি-লেভেলের চাকরির পোস্টিং ৩৫% কমেছে, আর ৬৩% নির্বাহী মনে করেন এই কাজগুলো শীঘ্রই AI দ্বারা সম্পন্ন হবে। ফলে ‘প্রত্যাখ্যান প্রজন্ম’ নতুন স্নাতকরা শত শত সিভি পাঠালেও চাকরি পাচ্ছে না।
লিঙ্কডইনের প্রধান অর্থনৈতিক সুযোগ কর্মকর্তা অনীশ রমন বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি একটি বড় পরিবর্তনের সময়। পুরোনো ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ক্যারিয়ার পথ আর নেই। ডিগ্রি পাওয়াই চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; এখন নিয়োগকর্তারা খুঁজছেন—স্থিরতা, অভিযোজনযোগ্যতা, অনন্য অভিজ্ঞতা এবং নতুন চিন্তাভাবনা। AI-নেটিভ প্রজন্ম নতুন ব্যবসায়িক ধারণা নিয়ে আসছে, যা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
রমন জানান, চাকরির ক্ষেত্রের ব্যাঘাত স্বাভাবিক। নতুন ধরণের চাকরির উদ্ভব হবে, ২০৩০ সালের মধ্যে গড় চাকরির ৭০% পরিবর্তিত হবে। AI এবং প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। তরুণদের প্রথম কাজ পাওয়া কঠিন হলেও এটি নতুন সুযোগের দরজা খুলছে। তারা যদি নিজের অনন্য শক্তি, কৌতূহল ও লক্ষ্য বুঝতে পারে, তবে প্রতিষ্ঠানে তাদের মূল্য আরও বাড়বে।
অতএব, এন্ট্রি-লেভেল কর্মীদের জন্য পরামর্শ—নিজের শক্তি চিনুন, অভিযোজনযোগ্য হোন, এবং নতুন ব্যবসায়িক ধারণা নিয়ে এগিয়ে চলুন। চাকরি না পাওয়াকে হালকাভাবে দেখবেন না; এটি আপনার ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।