এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট, ২০২৫, ০৬:০৮ পিএম
বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় মেঘালয়ের সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি গত এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে গেছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমা। তিনি বলেছেন, নতুন পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত এলাকায় এখন ঘনিষ্ঠ নজরদারি চালানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার মেঘালয়ের স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুখ্যমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেছেন। সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে বিভিন্ন ধরনের গোষ্ঠী নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তবে তারা পুনর্গঠিত হচ্ছে কি না, সেই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
সাংমা বলেন, “গত এক বছরে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তাই সীমান্তে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।” তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার প্রতিদিন প্রচুর গোয়েন্দা তথ্য পায়। এই তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত এলাকায় কিছু গোষ্ঠী অতীতে সক্রিয় ছিল। “এসব গোষ্ঠী মূলত দস্যু; তারা ডাকাতি-লুটপাটের মতো কাজ করে, কিন্তু সন্ত্রাসী সংগঠন নয়,” যোগ করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতি এখন আগের মতো নেই। সেখানে বিভিন্ন কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করছে। বেশি বিস্তারিত বলছি না কারণ এটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়। তবে এটুকু বলতে পারি, সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে।”
সাংমা নিশ্চিত করেছেন, “বর্তমানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো শতভাগ পুনর্গঠিত হচ্ছে বলে বলা যাবে না। আমরা যা তথ্য পাচ্ছি তা যাচাই করছি। প্রায়ই দেখা যায়, কিছু গোষ্ঠী ছিল যা মূলত দস্যু, তাদের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মাঝে মাঝে এ ধরনের তথ্য আসে, কিন্তু এটিকে পুনর্গঠন বলা ঠিক হবে না।”
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং রাজ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।