এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৮:০৮ পিএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পর ভারতের রপ্তানি খাত দারুণ চাপে পড়েছে। বিশেষ করে হীরা ও চিংড়ির মতো পণ্যের ওপর ৫০% শুল্ক ভারতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সপ্তাহান্তে চীন সফরে যাচ্ছেন, যেখানে দুই দেশের নেতারা দীর্ঘদিন ধরে শীতল সম্পর্ক ও সীমান্ত সংঘাত পরিহার করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনের শি জিনপিংও ধীরে ধীরে মন্থর অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সীমান্ত বিরোধ ও ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাত সম্পর্কের জটিলতা তৈরি করেছে। তারপরও সরাসরি বিমান পরিষেবা, ভিসা সহজীকরণ এবং অর্থনৈতিক চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে।
মোদি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) সভার অংশ হিসেবে চীন সফর করছেন। এই সংস্থা পশ্চিমাদের বিকল্প আঞ্চলিক নীতি প্রবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারত চীনের উৎপাদন ও রপ্তানি খাতের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মার্কিন বাজারের উপর নির্ভরতা কমাতে চায়।
ভারত-চীন সম্পর্কের এই পুনরুজ্জীবন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বার্তা বহন করছে। মোদীর সফর শুধু সীমান্ত উত্তেজনা কমানো নয়, বিশ্ব বাণিজ্যে ভারতের বিকল্প পথ থাকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা রক্ষার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সম্পর্কের জটিলতার কারণে তাৎক্ষণিক বড় পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে না।