ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

চীন-রাশিয়ার সহায়তায় আরও শক্তিশালী ইরান, প্রতিরক্ষা নয় এবার প্রথমেই প্রতিশোধ!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৯ পিএম

চীন-রাশিয়ার সহায়তায় আরও শক্তিশালী ইরান, প্রতিরক্ষা নয় এবার প্রথমেই প্রতিশোধ!

জুনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ গেছে এক হাজারেরও বেশি মানুষের। সেই ক্ষোভ এখন আগুন হয়ে ফিরছে ইরানের হাতে। শুধু প্রতিরক্ষা নয়—এবার সরাসরি প্রতিশোধকেই প্রথম অস্ত্র বানাতে চাইছে তেহরান।

ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামী জানিয়েছেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর নির্দেশনায় সেনারা এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি বলেন, “আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা আর শুধু ঢাল নয়, শত্রুর বিরুদ্ধে প্রথম আঘাত হানার অস্ত্র হিসেবেই ব্যবহার হবে।”

১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি
ইসরাইলের আগ্রাসনে টানা ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। এই যুদ্ধে অন্তত ১,০৬৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন সেনা কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক। যুক্তরাষ্ট্রও আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

তবে ইরান চুপ থাকেনি। প্রতিশোধমূলক অভিযানে তারা ইসরাইলের অধিকৃত অঞ্চল এবং কাতারের আল উদেদ ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়—যা পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটি। ২৪ জুনের এই অভিযানের পর ইরান প্রমাণ করেছে, শুধু রক্ষা নয়, পাল্টা আঘাতেই তারা সক্ষম।

নতুন কৌশল: প্রতিশোধ আগে, রক্ষা পরে ইরানের বার্তা এখন স্পষ্ট—শত্রু পরিকল্পনা শুরু করলে প্রথম আঘাত আসবে ইরানের দিক থেকেই। শহীদদের রক্ত আর জাতীয় ঐক্যের ওপর ভর করে ইরান নতুন যুদ্ধ কৌশল ঘোষণা করেছে:
প্রতিশোধ আগে প্রতিরক্ষা পরে চীন-রাশিয়ার পাশে দাঁড়ানো এই আত্মবিশ্বাসের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে আন্তর্জাতিক সমর্থন।

চীন দিচ্ছে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়া সরবরাহ করছে গোয়েন্দা সহায়তা অর্থাৎ ইরান আর একা নয়, তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি।

কেন ইরান এখন আগাম আঘাতের পথে ইরানকে আগ্রাসী কৌশলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে চারটি বড় কারণ— বেঁচে থাকার কৌশল – যুদ্ধ অনিবার্য হলে আগে আঘাত হানা-ই টিকে থাকার সেরা উপায় প্রযুক্তি উন্নয়ন – নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শত্রুর প্রতিরক্ষা ভেদ করতে সক্ষম শত্রুর দুর্বলতা – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সীমিত সফলতা ইরানকে সাহসী করেছে মিত্রশক্তির সমর্থন – চীন ও রাশিয়ার বাড়তি সহযোগিতা ইরানকে দিয়েছে বাড়তি আত্মবিশ্বাস।