ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

১২ দিনে ইরান ধ্বংস করল ইসরায়েলের ২১টি কৌশলগত স্থাপনা!


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৯ পিএম

১২ দিনে ইরান ধ্বংস করল ইসরায়েলের ২১টি কৌশলগত স্থাপনা!

ইরানের বেসিজ সংগঠনের প্রধান জানিয়েছেন, গত জুনের ১২ দিনের যুদ্ধে ইরান ইসরায়েলের ২১টি কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযানের নির্ভুলতা ছিল অত্যন্ত উচ্চ—ভ্রান্তি এক মিটারেরও কম।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলামরেজা সোলেইমানি রোববার ৩১ আগস্ট বলেন, শত্রুপক্ষ ওই যুদ্ধ উসকে দিয়েছিল এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সক্রিয় করেছিল, যাতে ভিতর ও বাইরে থেকে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

তিনি বলেন, “এই ১২ দিনে আমরা জায়নিস্ট শাসনের ২১টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছি। নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আমরা আমাদের টার্গেট ব্যাংক সম্পন্ন করেছি। এখন আমরা তাদের দুর্বল দিকগুলো পুরোপুরি জানি এবং অধিকৃত ভূখণ্ডের প্রতিটি বর্গমিটারে কী ঘটছে সে বিষয়ে অবগত।”
গোলামরেজা সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে যদি আবার কোনো আগ্রাসন ঘটে, ইরান কেবল জায়নিস্টদের নয়, তাদের সমর্থকদেরও দায়ী করবে।

তিনি আরও বলেন, “সাম্প্রতিক যুদ্ধে কত দেশ ইসরায়েলকে রক্ষা করতে অংশ নিয়েছিল এবং কত হাজার টন বোমা তারা একটি নিরস্ত্র জাতির ওপর বর্ষণ করেছিল, তা যাচাই করুন। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে।
উল্লেখ্য, ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও অঘোষিত আগ্রাসন শুরু করে, যা ১২ দিনের যুদ্ধকে উসকে দেয়। এই যুদ্ধে অন্তত ১,০৬৪ জন নিহত হন, যার মধ্যে সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিকও ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি অংশ নেয় এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

এর জবাবে, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী অধিকৃত ভূখণ্ডে কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা চালায়, পাশাপাশি কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি—পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি—ও আঘাত হানে। ২৪ জুন, ইরান সফল প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়কেই চাপে ফেলতে সক্ষম হয় এবং আগ্রাসন থামাতে বাধ্য করে।