ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

গাজায় “নরকের দরজা” খুলে গেল! ১২ তলা ভবনে ভয়াবহ ইসরায়েলি বোমা হামলা, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

গাজায় “নরকের দরজা” খুলে গেল! ১২ তলা ভবনে ভয়াবহ ইসরায়েলি বোমা হামলা, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

গাজা সিটির নিয়ন্ত্রণ নিতে ইসরায়েল এখন আরও আগ্রাসী। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার তারা ধ্বংস করেছে ১২ তলা বিশাল মুশতাহা টাওয়ার—যেখানে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। এই হামলার পর গোটা শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভয় আর আতঙ্ক।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ঘোষণা করেছেন—“গাজায় নরকের দরজা খুলে গেছে।” তাঁর ভাষায়, হামাস যদি জিম্মিদের মুক্ত না করে এবং নিরস্ত্রীকরণের শর্ত না মেনে নেয়, তবে এই দরজা আর বন্ধ হবে না।
ইসরায়েলি সেনারা প্রথমে ভবনটি খালি করার নির্দেশ দেয়। তারপর দুটি বিমান হামলা চালায়—প্রথমটি ছিল সতর্কবার্তা, আর দ্বিতীয়টি ছিল এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের সরাসরি আঘাত। মুহূর্তেই ১২ তলা ভবনটি ধসে পড়ে।

ভবনের চারপাশে শত শত অস্থায়ী তাঁবু ছিল, যেগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানাচ্ছেন—এটি গাজা সিটির অন্যতম বৃহৎ বহুতল ভবন ছিল।

আল জাজিরার আরেক প্রতিবেদক তারেক আবু আজ্জুম জানিয়েছেন—এই হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চারপাশে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়েছে, বহু তাঁবু ছিঁড়ে গেছে।
ইসরায়েলের দাবি—মুশতাহা টাওয়ার হামাসের অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখান থেকেই ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল।

কিন্তু ভবন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে—এটি শুধুই বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থল ছিল, এর সঙ্গে হামাসের কোনো সম্পর্ক নেই।
এই হামলা শুধু একটি ভবন ধ্বংসের ঘটনা নয়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে গাজা সিটিতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এখন আরও ভয়ংকর ও দীর্ঘস্থায়ী হতে চলেছে।