ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

উড়িয়ে দেব” হুঁশিয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর! বিদেশি অপরাধী গ্যাং ধ্বংসে কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

উড়িয়ে দেব” হুঁশিয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর! বিদেশি অপরাধী গ্যাং ধ্বংসে কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট ভাষায় জানালেন—বিদেশি অপরাধী গ্যাংগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র “প্রয়োজনে ধ্বংস করে দেবে।” প্রয়োজনে অন্য দেশগুলোর সহায়তা নিয়েও এ অভিযান চালানো হবে।
ইকুয়েডর সফরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এখন তারা আমাদেরকে এই অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে এবং যদি প্রয়োজন হয়, আমরা তাদের উড়িয়ে দেব।

রুবিও আরও ঘোষণা দেন—ইকুয়েডরের সবচেয়ে বড় দুটি অপরাধী গ্যাং, লস লোবোস এবং লস চোনেরোস, শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাভুক্ত হবে।
এই কঠোর মন্তব্য আসে এক উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সম্প্রতি ক্যারিবীয় সাগরে একটি নৌকায় হামলা চালায়। ওয়াশিংটনের দাবি—ওই নৌকায় থাকা ১১ জন মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে। যদিও নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

রুবিওকে প্রশ্ন করা হলে, মেক্সিকো বা ইকুয়েডরের মতো মিত্র দেশ থেকে যদি পাচারকারীরা আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কি একতরফাভাবে হামলা চালাবে? তিনি জবাব দেন— “সহযোগী সরকারগুলোই আমাদের সাহায্য করবে এসব পাচারকারীকে শনাক্ত করতে।”
তার দাবি, “রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়েছেন—এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো হবে। কারণ তারা গত ৩০ বছর ধরে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে, অথচ কেউ সাড়া দেয়নি।”

তবে ইকুয়েডর বা মেক্সিকো থেকে এখনো এ ধরনের সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে কোনো মন্তব্য আসেনি।
মঙ্গলবারের ওই অভিযানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান—নৌকাটিতে ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত ট্রেন দে আরাগুয়া গ্যাংয়ের সদস্যরা ছিল, যারা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক পাচার করছিল। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন—এই হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সমুদ্র আইন লঙ্ঘন করেছে কি না।

এরপর বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর অভিযোগ করে—ভেনেজুয়েলার দুটি সামরিক বিমান যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাহাজের কাছাকাছি এসে উসকানিমূলক আচরণ করেছে। যদিও কারাকাস এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
একই দিনে রুবিও ঘোষণা দেন—ইকুয়েডরকে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৩.৫ মিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা সহায়তা এবং ৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ড্রোন প্রযুক্তি দেবে।