ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

রংপুরের ঝড়ো জয়! খুলনাকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এনসিএল টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন


স্পোর্টস ডেস্ক | এনবিএস  | প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

রংপুরের ঝড়ো জয়! খুলনাকে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এনসিএল টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আসরেও চ্যাম্পিয়নের মুকুট উঠল রংপুর বিভাগের মাথায়। প্রথম আসরের মতো এবারও দারুণ ক্রিকেটে প্রতিপক্ষ খুলনাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তারা।

ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আগে ব্যাট করে খুলনা বিভাগ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৬ রান তোলে। জবাবে রংপুরের ব্যাটাররা খেলেন নির্ভার ক্রিকেট—মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ৩ ওভার হাতে রেখেই ম্যাচ শেষ করে জয় নিশ্চিত করে তারা।

রংপুরের ইনিংস শুরু করেন ওপেনার জাহিদ ও নাসির হোসেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দুজন মিলে ৭ ওভারে ৬১ রান তোলেন। এরপর জাহিদ ২৭ রানে আউট হলে ভাঙে জুটি। তবে নাসির নিজের ছন্দ ধরে রেখে এগিয়ে যান ফিফটির পথে, যদিও মাত্র ৪ রানের আক্ষেপে থামতে হয় তাকে। ৩১ বলে ৪৬ রানের ইনিংসে আসে ৫টি চার ও ১টি ছক্কা।

শেষদিকে অভিজ্ঞ নাঈম ইসলাম ও তরুণ আকবর আলী মিলে সহজেই ম্যাচের কাজ শেষ করেন। নাঈম ৩২ বলে ৫ চারে করেন ৪০ রান, আর আকবর ১৫ বলে ঝোড়ো ১৯ রানে রংপুরের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনার ব্যাটাররা বড় রান তুলতে ব্যর্থ হন। দীর্ঘ ব্যাটিং লাইনআপ থাকা সত্ত্বেও কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। সৌম্য সরকার ২২ বলে মাত্র ৮ রান করে ফিরেন। এনামুল হক বিজয়ও হতাশ করেন ১৫ বলে ১২ রানে।

আসিফ হোসেন ধ্রুব ২টি ছক্কা হাঁকিয়ে কিছুটা আশা দেখালেও ১০ বলে ১৪ রান করেই থামেন। ওপেনার ইমরানুজ্জামান শূন্য রানে আউট হন, শেখ পারভেজ হোসেন করেন ৮ রান। দলের ৬৯ রানেই ফিরে যান ৫ ব্যাটার।

এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৪৪ রান। মিথুন ৩২ বলে ৪৪ রান করেন ১টি চার ও ৩টি ছক্কায়, মৃত্যুঞ্জয় ১৩ বলে ২৪ রানে করেন ২টি চার ও ২টি ছক্কা।

তবে এই জুটি ছাড়া খুলনার আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি। রংপুরের বোলারদের দাপটে শেষ পর্যন্ত থেমে যায় খুলনার ইনিংস ১৩৬ রানে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি নেন ২ উইকেট।

ফাইনালের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন নাসির হোসেন। আর পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন আকবর আলী।