ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত, ১০ কিলোমিটার উঁচু ছাইয়ের মেঘে সতর্কতা জারি


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১০ পিএম

ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত, ১০ কিলোমিটার উঁচু ছাইয়ের মেঘে সতর্কতা জারি

ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি আগ্নেয়গিরি আবারও অগ্ন্যুৎপাত করেছে। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ১০ কিলোমিটার উঁচু বিশাল ছাইয়ের মেঘ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বুধবার (১৫ অক্টোবর) এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষ ফ্লোরেস দ্বীপের বাসিন্দা এবং পর্যটকদের পাহাড় থেকে দূরে থাকার জন্য সতর্ক করেছে এবং সম্ভব হলে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

দেশটির ভলকানোলজি অ্যান্ড জিওলজিক্যাল হ্যাজার্ড মিটিগেশন সেন্টার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, “জনসাধারণের শান্ত থাকা উচিত এবং স্থানীয় সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। অস্পষ্ট উৎস থেকে আসা তথ্যের উপর বিশ্বাস করা ঠিক নয়।”

ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার ভোরে ৯ মিনিট ধরে আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত করেছে। এর দুই ঘণ্টা আগেও আগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ ওয়াফিদ বলেছেন, আগ্ন্যুৎপাতের স্থান থেকে কমপক্ষে ৬–৭ কিলোমিটার দূরে থাকা উচিত। আগ্নেয়গিরির ১৫৮৪ মিটার উঁচু চূড়া থেকে ছাই আকাশে ১০ কিলোমিটার উঁচুতে পৌঁছেছে।

ওয়াফিদ আরও বলেন, “আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষ ভারী বৃষ্টিপাতের সময় সম্ভাব্য কাদা প্রবাহ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। যদি ছাই আরও ছড়িয়ে পড়ে, এটি বিমানবন্দর ও বিমান চলাচলেও প্রভাব ফেলতে পারে।”

গত জুলাই মাসে একই আগ্নেয়গিরি থেকে আগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। তখন আকাশে ১৮ কিলোমিটার উঁচু ছাইয়ের মেঘ ছড়িয়ে পড়েছিল এবং বালির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নভেম্বরে আগ্ন্যুৎপাতের ফলে স্থানীয় গ্রামে দশ জন নিহত এবং হাজার হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ায় ১২০টির বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এ অবস্থিত দেশটি ভূমিকম্প এবং আগ্ন্যুৎপাতের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পড়ে।