এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ০৩:১০ পিএম
বাংলাদেশ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে। বাকি দুই ম্যাচেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে বলে আশাবাদী বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মোস্তাক আহমেদ। মিরপুরের কালো মাটির উইকেটে ২০৭ রান তুলেও বাংলাদেশ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা। মোস্তাকের বিশ্বাস, বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০-তে হোয়াইটওয়াশ করবে। কোচ হিসেবে তিনি খেলোয়াড়দের ওপর পূর্ণ ভরসা রাখতে চান।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ চারটি ওয়ানডে সিরিজে হেরেছে বাংলাদেশ। কিছুদিন আগে আফগানদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়ে আবুধাবি থেকে ফিরেছেন মেহেদী হাসান মিরাজরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নামার আগে শেষ ১২টি ওয়ানডেতে মাত্র একটিতে জিতেছিল তারা।
৫০ ওভারের ক্রিকেটে মিরাজ-নাজমুল হোসেন শান্তরা যেন দিশা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। কিন্তু মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ছন্দ ফিরে পেয়েছে বাংলাদেশ। স্পিন নির্ভর উইকেটে ৭৪ রানে সফরকারীদের হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেছে তারা। দ্বিতীয় ম্যাচ ২১ অক্টোবর মিরপুরেই। শেষ চার সিরিজে জিততে না পারা বাংলাদেশ এখন ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন দেখছে।
তবে এই কাজটা সহজ হবে না। সাম্প্রতিক ওয়ানডে পারফরম্যান্স ও মিরপুরের রেকর্ড বাংলাদেশের পক্ষে নয়। গত ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডের কাছে মিরপুরে ২-০-তে হেরেছিল তারা। তবু মোস্তাক খেলোয়াড়দের ওপর ভরসা রাখেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যেকোনো দলকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
মোস্তাক বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমরা ৩-০-তে সিরিজ জিতব। কোচ হিসেবে আমরা খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করি। বিশ্বাসই সবকিছু। আমার নিজের বিশ্বাস না থাকলে খেলোয়া�ড়রা আমার কথা শুনবে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেম্পারমেন্ট ও বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, তারা যেকোনো দলকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। আমাদের এই বিশ্বাস রাখতে হবে।”
মিরপুরের স্পিন নির্ভর উইকেট নিয়ে সমালোচনার জেরে বিসিবি পিচ কিউরেটর গামিনী ডি সিলভাকে সরিয়ে দিয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান কিউরেটর টনি হেমিংকে। সবাই আশা করেছিল স্পোর্টিং উইকেট পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রথম ওয়ানডেতে কালো মাটির উইকেটে পুরনো স্পিন নির্ভরতাই দেখা গেছে।
উইকেট নিয়ে সমালোচনা হলেও মোস্তাক এটাকে তেমন গুরুত্ব দেননি। তিনি ১৯৯৯ সালে দিল্লিতে অনিল কুম্বলের এক ইনিংসে ১০ উইকেটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মিরপুরের উইকেট দিল্লির সেই উইকেটের চেয়ে ভালো। আমার মনে আছে, দিল্লিতে ভারতের বিপক্ষে আমরা খেলেছিলাম। কুম্বলে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই উইকেট এর চেয়েও খারাপ ছিল।”বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন.