এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:১১ পিএম
গাজার যুদ্ধের ছায়ায় চোখ ফাঁকি দিয়ে পশ্চিম তীরেও চলছে ভয়ঙ্কর মানবাধিকার লঙ্ঘন। শুধু এ বছরেই প্রায় ৩২ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোর করে ঘরছাড়া করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রকাশিত এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারি থেকে জেনিন, নুর শামস ও তুলকারেম – এই তিনটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি অভিযানের কারণে ১৯৬৭ সালের পর এটাই পশ্চিম তীরের সবচেয়ে বড় গণ-উচ্ছেদ।
ইসরায়েলি সহিংসতা পশ্চিম তীরে এখন আকাশছোঁয়া। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে ইসরায়েলি হাতে নিহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলাও বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শুরুতেই অধিকৃত পশ্চিম তীরের এরিয়া সি-তে বাড়িঘর ভেঙে আরও এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সময়ে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে গৃহহীন হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ।
ইসরায়েলের দাবি, “অনুমতি ছাড়া” নির্মিত বলে এসব বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দখলকৃত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জন্য বাড়ি বানানোর অনুমতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
এত কিছুর পরও পশ্চিম তীরে এসব নৃশংস কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলের ওপর এখনো কোনো বড় ধরনের আন্তর্জাতিক চাপ পড়েনি। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এখন জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে – শরণার্থী শিবিরে গণহারে উচ্ছেদ ও হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক তদন্ত শুরু করতে হবে।
West Bank, Palestinian displacement, Israeli occupation, Human Rights Watch, Jenin refugee camp, Tulkarm, Nur Shams, forced eviction, Gaza war spillover, East Jerusalem demolitions, Area C Palestine, Israeli settlements violence, UN displacement report, Palestinian refugees 2025, HRW Israel report