এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে আর ফেরেননি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। দেশের মাটিতে খেলেই ক্যারিয়ারের ইতি টানার ইচ্ছা থাকলেও সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি। প্রায় দেড় বছর পর এবার তাকে দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবির বোর্ড সভায় সাকিবকে আবারও বিবেচনায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি জানার পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পক্ষ থেকে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সাকিব বলেন, “এ বিষয়ে একটু ধীরেসুস্থে প্রতিক্রিয়া জানাবো।”
এর আগে শনিবার রাতে বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, সাকিব ফ্রি থাকলে তাকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “বোর্ডে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে—সময়মতো সাকিবকে পাওয়া গেলে, তার ফিটনেস ও এক্সেসিবিলিটি ঠিক থাকলে এবং ম্যাচ ভেন্যুতে উপস্থিত থাকার মতো অবস্থা থাকলে, নির্বাচক কমিটি তাকে ভবিষ্যৎ দলে অন্তর্ভুক্তির জন্য বিবেচনা করবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বোর্ড এনওসি দেবে।”
আমজাদ হোসেন আরও জানান, সাকিবকে কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাবও দিয়েছে বিসিবি। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আইনি বিষয়গুলো সরকারিভাবে আলোচনা করে দেখা হবে।
বিশ্বকাপ প্রসঙ্গের মধ্যেই সাকিবের নাম আলোচনায় আসা নিয়ে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, “ক্রিকেট অপারেশন্সের এজেন্ডায় ছিল ২৭ জন চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়ের তালিকা, যেখানে গ্রেড এ, বি ও সি নির্ধারণ করা হবে। আলোচনার একপর্যায়ে একজন পরিচালক জানান, সাকিব আল হাসান খেলতে আগ্রহী এবং তার সঙ্গে বোর্ডের যোগাযোগ হয়েছে। বিষয়টি সভাপতিকে জানানো হয়েছে, যাতে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা যায়।”
তিনি আরও বলেন, “সাকিবের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সরকারের দেখার বিষয়। বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা তাকে চাই। চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তালিকায় সাকিবকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশে ফিরে অবসর নেওয়ার ইচ্ছা তার রয়েছে। সাকিব আল হাসান একটা ব্র্যান্ড—এমন খেলোয়াড় হয়তো আগামী ১০০ বছরেও আমরা আর পাবো না।”