ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

সাকিবকে দলে ফেরানোর হঠাৎ সিদ্ধান্ত, বিসিবির আন্তরিকতা নাকি আলোচনায় থাকতে ‘পাবলিসিটি গেম’


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

সাকিবকে দলে ফেরানোর হঠাৎ সিদ্ধান্ত, বিসিবির আন্তরিকতা নাকি আলোচনায় থাকতে ‘পাবলিসিটি গেম’

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত নাম সাকিব আল হাসানকে আবার জাতীয় দলে ফেরানোর ভাবনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এমন ইঙ্গিত দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠছে—প্রায় দেড় বছর দলের বাইরে থাকার পর হঠাৎ কেন তাকে ফেরানোর উদ্যোগ? বিষয়টি নিয়ে নানা মতামত উঠে আসছে। খবর বিবিসির।

২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টের পর আর বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামা হয়নি সাকিবের।

সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ফেসবুক স্ট্যাটাস ও বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যে বলা হয়েছে, মূলত রাজনৈতিক কারণেই সাকিবকে জাতীয় দলের বাইরে রাখা হয়েছিল।

এই প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করে বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে।

আরও কৌতূহলের বিষয় হলো, এই ঘোষণা এসেছে ঠিক সেই সময়েই, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আনুষ্ঠানিকভাবে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রায় আট ঘণ্টাব্যাপী বোর্ড সভার পর রাত প্রায় ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বিসিবি।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, সাকিবের এভেইলেবিলিটি, ফিটনেস এবং নির্দিষ্ট ভেন্যুতে উপস্থিত থাকার সক্ষমতা থাকলে ভবিষ্যতে তাকে দলে নেওয়ার বিষয়টি বোর্ড ও নির্বাচক প্যানেল বিবেচনা করবে।

আমজাদ হোসেন আরও জানান, জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে সাকিব নিজেও আগ্রহ দেখিয়েছেন। হোম ও অ্যাওয়ে—দুই ধরনের সিরিজেই খেলার সম্ভাবনা নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সাকিব জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনি দুই ক্ষেত্রেই খেলতে প্রস্তুত।

বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, সাকিবের সঙ্গে আলোচনা করেই এই অবস্থানে এসেছে বিসিবি। সময়সূচি, পরিস্থিতি ও ভেন্যু বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যতে তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছুই নির্ভর করবে বাস্তব পরিস্থিতি এবং নির্বাচকদের মূল্যায়নের ওপর—এমনটাই জানিয়েছে বোর্ড।