এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০২:০২ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। ইরানের ওপর ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি অংশ নিয়েছে—এমনটাই জানিয়েছে আল জাজিরা। সংবাদমাধ্যমটিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল।
হামলার সময় ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সাইরেন বাজানো হয়েছে। নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণে বাড়ল চাপ
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এ হামলার মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে সহায়তা করেছে। যদিও এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনো আসেনি, তবে নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে—এই অভিযান ছিল সমন্বিত।
সম্প্রতি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান খুঁজে পায়নি। নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য, শেষ ২৪ ঘণ্টায় তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে আলোচনার সুযোগ কার্যত শেষ।
সীমান্তে যুদ্ধের আশঙ্কা, আকাশসীমা বন্ধ
এই সিদ্ধান্তের পরই ইসরায়েলি সীমান্তে সংঘাতের সম্ভাবনা স্পষ্ট হতে শুরু করে। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং দেশজুড়ে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
এর আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। লক্ষ্য ছিল সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো। তবে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উত্তেজনা এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে সংঘর্ষ প্রায় অনিবার্য।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা চালায়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
I