ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধকে অগ্রাধিকার দিলেন, গ্যাসের দাম বেড়ে গেলেও উদ্বিগ্ন নয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধকে অগ্রাধিকার দিলেন, গ্যাসের দাম বেড়ে গেলেও উদ্বিগ্ন নয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রভাব ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানির বাজারে পড়তে শুরু করেছে। গত ৬ দিনে গ্যাসের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই মুহূর্তে তিনি জ্বালানি গ্যাসের দাম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন। তার সব মনোযোগ এখন ইরান যুদ্ধের দিকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার, রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন,

“আমি এ নিয়ে একেবারেই চিন্তা করছি না। এখন গ্যাসের দাম বাড়ছে, আবার যুদ্ধ শেষ হলেই দাম দ্রুত কমে যাবে। তাই গ্যাসের দাম যদি বাড়ে তো বাড়ুক। ইরানে এখন যুদ্ধ চলছে এবং এটি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ভূগর্ভস্থ জরুরি তেলের মজুত আছে, যা বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আপাতত এই মজুত ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই।

তিনি আরও বলেন,

“হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলেই বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার আগের অবস্থায় ফিরবে। শিগগিরই তা হবে। এখন বাজার চড়া থাকার প্রধান কারণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের কমে যাওয়া। শিগগিরই মার্কিন সেনা ইরানের নৌবাহিনীকে সাগরের তলায় পাঠাবে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়।

এরপর, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইসরায়েলও শুরু করে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’।

গত ৭ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে, এবং ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে হামলার পাল্টা জবাবে।